পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেছেন, ‘একসময় পার্বত্য জনগোষ্ঠী কোটা সুবিধা পেত। যারা কোটা সুবিধা পেয়েছেন তারা ভাগ্যবান। কিন্তু এখন কোটার সুযোগ নেই। দেশের মূলধারার সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে মানসম্মত শিক্ষা প্রয়োজন।
গতকাল রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সভাকক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থা (জিআরএস) বিষয়ে দক্ষতা বৃদ্ধি’সংক্রান্ত দিনব্যাপী কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়নে লাইভলিহুড ডেভেলপমেন্ট নিশ্চিত করা হবে। একই সঙ্গে আত্মকর্মসংস্থানের লক্ষ্যে নারী উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসতে হবে। জেলা সদরের উন্নয়ন করলেই চলবে না, উন্নয়ন জেলার সব উপজেলায় দৃশ্যমান হতে হবে।’
উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা আরো বলেন, ‘নিজেদের ব্যক্তিগত স্যাটিসফেকশনের চেয়ে এক হাজার কৃষক পরিবারকে দারিদ্র্যমুক্ত করার মধ্যে যে সুখ সেটা এনজয় করতে হবে। বিগত আমলে যে পরিমাণ বরাদ্দ তিন পার্বত্য জেলায় দেয়া হয়েছিল তার সিকি ভাগও যদি বাস্তবায়ন হতো তাহলে পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষের গরিব থাকার কথা নয়। উন্নয়ন কাজ কোথায় কী হচ্ছে বা কী পরিমাণ বাস্তবায়ন হলো তার সুষ্ঠু মনিটরিং ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন তিনি।
এ সময় তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ ও তিন পার্বত্য জেলা পরিষদের সংশ্লিষ্ট সবাইকে সবসময় মন্ত্রিপরিষদের নির্দেশনা মেনে চলার পরামর্শ দেন।’
প্রশিক্ষণ কর্মশালায় পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মনিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুল খালেক, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ সদস্য গৌতম কুমার চাকমা, যুগ্ম সচিব কংকন চাকমা, অতুল সরকার, জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার মোহাম্মদ রিজাউল করিম বক্তব্য রাখেন।










