টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার কোকডহরা ইউনিয়নের স্কুলছাত্র রাহাত (১৪) হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে র্যাব। রাহাতের বন্ধু বিপ্লব র্যাবের হাতে ধরা পড়লে ঘটনার রহস্য জানা যায়। গতকাল দুপুরে র্যাব-১২ সিপিসি-৩-এর কোম্পানি কমান্ডার মো. এরশাদুর রহমান এক প্রেস ব্রিফিং ওই হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে তুলে ধরেন। নিহত রাহাত বানিয়ারা গ্রামের শাহাদত হোসেনের ছেলে। সে বল্লা করোনেশন উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্র ছিল। আটককৃত বিপ্লব বানিয়ারা গ্রামের নুরু মিয়ার ছেলে।
র্যাব কমান্ডার মো. এরশাদুর রহমান জানান, বন্ধুকে এতিম বলায় জীবন দিতে হয় স্কুলছাত্র রাহাতকে। শুক্রবার রাতে এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে নিহত রাহাতের বন্ধু বিপ্লব র্যাবের হাতে আটক হওয়ার পর হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন হয়। রাহাত ও বিপ্লব দুজন ঘনিষ্ঠ বন্ধু। তাদের বাড়িও পাশাপাশি। ২২ মার্চ রাতে বিপ্লব ও রাহাত কালিহাতী উপজেলার কোকডহরা ইউনিয়নের কাগুজিপাড়া বাজারে বসে লুডু খেলছিল। এ সময় বিপ্লবকে কয়েকবার রাহাত এতিম বলে সম্বোধন করে। এ কারণে রাহাতের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেয় বিপ্লব। পরে বিপ্লব বাজারের একটি দোকান থেকে ব্লেড ও সিগারেট কেনে। এরপর সে সিগারেট খাওয়ার কথা বলে রাহাতকে কাগুজিপাড়া এলাকার একটি পুকুরপাড়ে নিয়ে যায়। সিগারেট খাওয়া শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিপ্লব ব্লেড দিয়ে রাহাতের গলায় পোচ দিয়ে হত্যা করে।










