ঝিনাইদহের সীমান্তবর্তী উপজেলা মহেশপুরে ১৯৯৮ সালে প্রথম শুরু হয় ইমিটেশন গহনা তৈরির কাজ। প্রায় চার হাজার পরিবার জড়িত এ শিল্পের সঙ্গে। সংসারের কাজ সামলে পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও তৈরি করেন গহনা। পরে সেগুলো সরবরাহ করা হয় দেশের বিভিন্ন জেলায়। প্রতি বছর গড়ে ১৬ কোটি টাকার গহনা তৈরি হয় এখানে। নতুন ডিজাইন ও ভালো মানের গহনা তৈরির মাধ্যমে বিশ্ববাজার ধরতে পারলে এ শিল্প দেশের অর্থনীতিতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন বিসিক শিল্পনগরীর কর্মকর্তারা।

স্থানীয় বাসিন্দা জহিরুল ইসলাম জানান, পৌর এলাকার অনেকেই গহনা তৈরির কারখানায় কাজ করে সাবলম্বী হয়েছেন।

এ বিষয়ে ঝিনাইদহ বিসিক শিল্পনগরীর উপব্যবস্থাপক সেলিনা রহমান বণিক বার্তাকে বলেন, ‘দেশের অভ্যন্তরে বাজার ব্যবস্থা আরো সম্প্রসারিত হলে এবং যদি গার্মেন্ট পণ্যের মতো বিশ্ববাজার ধরা যায়, তাহলে দেশের অর্থনীতিতেও বিশেষ ভূমিকা রাখবে এ শিল্প।’