মাইলস্টোনের তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী আফিফাকে হন্য হয়ে খুঁজছেন তার মা। ঢাকা বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগ থেকে ওয়ার্ড সর্বত্র মেয়ের সন্ধান করছেন তিনি। কিছুক্ষণ জরুরি বিভাগ তো পরক্ষণেই বিভিন্ন ওয়ার্ডে গিয়ে খুঁজছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
আফিফার মতো অন্তত আরো পাঁচ জনের কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। হতাহতের মতো নিখোঁজের সংখ্যাও আরো বাড়বে বলে আশংকা করা হচ্ছে। যদিও ফায়ার সার্ভিসের ডিজি জানিয়েছেন, মাইলস্টোনের ক্যাম্পাসে বা বিধ্বস্ত ভবনে দৃশ্যমান কোনো আহত বা নিহত শিক্ষার্থী নেই। ক্রেন দিয়ে এয়ারক্রাফট সরানোর পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল ক্যাম্পাসে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় এ পর্যন্ত ১৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক (ডিজি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামাল। আহত হয়েছে দেড়শতাধিক। উদ্ধার কাজ এখনো চলছে। ফায়ার সার্ভিসের ৯ ইউনিট ও ৬ অ্যাম্বুলেন্স কাজ করছে। শৃঙ্খলা রক্ষায় রয়েছেন স্কাউট, বিএনসিসিসহ বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা।















