আনুষ্ঠানিক ঈদের ছুটি শুরু হওয়ার আগেই কর্মব্যস্ত নগরী রাজধানী ছেড়ে বাড়ি ফেরা মানুষের ভিড় বেড়েছে মুন্সিগঞ্জের মাওয়া প্রান্তের পদ্মা সেতুর টোল প্লাজা এলাকায়। সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে,বুধবার (৪ জুন) ভোর ৬টা থেকে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বৃদ্ধি পেয়েছে যানবাহনের চাপ।

গণপরিবহন ও যাত্রীবাহী বাসে বাড়তি ভাড়া আদায় অভিযোগ করেছেন অনেকে। অন্যদিকে, রাজধানী থেকে পরিবহন সংকটে নানা উপায়ে ভেঙে ভেঙে মাওয়া পর্যন্ত এসেছেন যেসব যাত্রীরা, নির্দিষ্ট গন্তব্যে যেতে তাদের দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে সড়কে।

এছাড়া মহাসড়কের প্রবেশপথে গাড়ি থামিয়ে একটি চক্র টাকা আদায় করছে এমন অভিযোগ করেছেন বিভিন্ন যানবাহন ও গণ-পরিবহনের চালকরা।

এদিকে, ঈদ যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তের টোল প্লাজা এলাকায় ৭টি বুথে আদায় করা হচ্ছে যানবাহনের টোল। তবে মোটরসাইকেলের জন্য বরাবরের মতোই এবারও রয়েছে আলাদাভাবে টোল নেয়ার ব্যবস্থা। এবার মোটর সাইকেলের অতিরিক্ত বাড়তি চাপ সামলাতে স্থাপন করা হয়েছে অস্থায়ী টোল বুথ।

সেতু কর্তৃপক্ষ বলছে, আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ঈদের ১০ দিনের লম্বা ছুটি শুরু হলে যানবাহনের চাপ বৃদ্ধি পাবে সেতুতে।

তবে এবার অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বিভিন্ন পয়েন্টে চেকপোস্ট বসিয়ে যানবাহনের অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ। পাশাপাশি সিসিটিভি স্থাপন করে রাখা হচ্ছে বিশেষ নজরদারি।

পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তে ট্রোল ম্যানেজার আহাম্মেদুল হক জানিয়েছেন, সেতুতে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় টোল আদায় বেড়েছে। মঙ্গলবার রাত ১২ টা থেকে বুধবার সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সেতুতে টোল আদায় হয়েছে ৩ কোটি ৩০ লাখ ৩৪ হাজার ৫০ টাকা। এসময় মাওয়া প্রান্ত হয়ে পদ্মা সেতু পাড়ি দিয়েছে ১৩ হাজার ৬৯২টি যানবাহন। এছাড়া উভয় প্রান্তে চলাচল করেছে ২৫ হাজার ২শ’ ৭৪টি যানবাহন।