নোয়াখালীর হাতিয়ায় বরযাত্রীসহ ট্রলারডুবির ঘটনায় শিশু ও নারীসহ আরো তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে কোস্ট গার্ড ও জেলেরা। শুক্রবার রাতে ও গতকাল সকালে পৃথক স্থান থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।
হাতিয়া কোস্ট গার্ড ও নৌপুলিশ সূত্রে জানা যায়, এ পর্যন্ত মোট ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার দিন টাংকির ঘাট এলাকা থেকে কনেসহ সাতজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া শুক্রবার বিকালে হাসান ও রাতে নিহা নামে দুই শিশুর মরদেহ গজারিয়া এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়। গতকাল ভোরে জাকারিয়া বেগম নামে আরেক নারীর মরদেহ ভোলার মনপুরা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয় জেলেদের সহযোগিতায়, নৌপুলিশ ও কোস্ট গার্ড মরদেহগুলো উদ্ধার করে তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করে।
জানতে চাইলে হাতিয়া কোস্ট গার্ডের লে. কমান্ডার বিশ্বজিত বড়ুয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এ পর্যন্ত ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। স্বজনদের ভাষ্যমতে আরো পাঁচ-ছয়জন নিখোঁজ রয়েছে। তাদের উদ্ধারে কোস্ট গার্ড ও নৌপুলিশ নদীতে অভিযান অব্যাহত রেখেছে।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার বেলা দেড়টার দিকে বরযাত্রীবাহী একটি ট্রলার হাতিয়ার আয়েশা আলী ঘাট থেকে ঢালচর যাওয়ার পথে মেঘনা নদীতে স্রোতের তোড়ে ডুবে যায়। ওইদিন বেশির ভাগ যাত্রী সাঁতার কেটে কূলে উঠতে পারলেও নববধূ তাছলিমাসহ অন্তত ১৬ জন নিখোঁজ হন। পরে বিকালে ট্রলারটি টাংকির ঘাট এলাকায় মেঘনায় ভাসতে থাকলে স্থানীয়রা সেটিকে টেনে ঘাট এলাকায় নিয়ে ট্রলার থেকে নববধূ ও তিন শিশুসহ সাতজনের মরদেহ উদ্ধার করে।










