পঞ্চগড় প্রাণিসম্পদ হাসপাতালের সেবার মান নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন খামারিরা। তাদের অভিযোগ, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শহিদুল ইসলাম ঠিকমতো অফিস করেন না। ভেটেরিনারি সার্জন ডা. মরিয়ম রহমান আছেন মাতৃত্বকালীন ছুটিতে। হাসপাতালে অসুস্থ পশু নিয়ে এলে চিকিৎসা দেন ভেটেরিনারি ফিল্ড অ্যাসিস্ট্যান্টরা।
কয়েকজন খামারি জানান, গতকাল প্রাণিসম্পদ হাসপাতালের ফিল্ড অ্যাসিস্ট্যান্টের চিকিৎসায় একটি ছাগলের মৃত্যু হয়েছে। সদর উপজেলার মীরগড়ের আব্দুর রহমান লিটনের ছাগলটি অবহেলায় মারা গেছে। এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক ও জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন লিটন।
এ বিষয়ে ভেটেরিনারি ফিল্ড অ্যাসিস্ট্যান্ট রেজাউল করিম বলেন, ‘আমি প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার সহকারী হিসেবে কাজ করি। তার নির্দেশনায় চিকিৎসা দিই। শ্বাসকষ্টের কারণে ছাগলটি মারা গেছে। মূলত চিকিৎসা দেন প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, আমি শুধু তার নির্দেশনা অনুসরণ করি।’
শুধু লিটনই নন, প্রাণিসম্পদ হাসপাতালের কর্মকর্তাদের দায়িত্বে অবহেলা আর অনিয়মে ক্ষুব্ধ অন্য খামারিও। তাদের অভিযোগ, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শহিদুল ইসলামকে খামারিরা চিকিৎসার জন্য ডাকলে মোটা অংকের ভিজিট দিতে হয়। এছাড়া তার বিরুদ্ধে বড় খামারিদের বিশেষ সুবিধা দেয়া, ব্যক্তিগত কাজে মোবাইল, ভেটেরিনারি ক্লিনিকের গাড়ি ব্যবহারসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে সম্প্রতি জেলা প্রশাসকের কাছে গণঅভিযোগ করেন খামারিরা।
এ বিষয়ে জানতে সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শহিদুল ইসলামের অফিসে গেলে তাকে পাওয়া যায়নি। এমনকি তার সেলফোনে কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।










