গাজীপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) এ পর্যন্ত ১২১টি ধানের জাত উদ্ভাবন করেছে। এর মধ্যে ৩৬টি লবণাক্ততা, খরা, জলাবদ্ধতাসহ জলবায়ুসহিষ্ণু। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটি বর্জ্যসহিষ্ণু জাত উদ্ভাবনের চেষ্টা করছে। গতকাল সাংবাদিকদের এক কর্মশালায় এসব তথ্য জানান প্রতিষ্ঠানের মহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ খালেকুজ্জামান। ব্রির ট্রেনিং কমপ্লেক্সে সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ‘আবহাওয়ার পূর্বাভাসভিত্তিক কৃষি পরামর্শ প্রচারে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার ভূমিকা’ শীর্ষক এ কর্মশালায় গাজীপুরে কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা অংশ নেন।
ধান গবেষণায় নিয়োজিত বিজ্ঞানীরা বলেন, যে হারে অপরিকল্পিত শিল্পায়ন হচ্ছে, তাতে আগামী দিনে ধান উৎপাদন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে। শিল্প-কারখানা থেকে নির্গত বর্জ্য ফসলের মারাত্মক ক্ষতি করছে। যদিও ধানের মধ্যে ক্ষতিকর বর্জ্যের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। ভবিষ্যতে বর্জ্যসহিষ্ণু ধান উদ্ভাবনের চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও জানান বিজ্ঞানীরা।
বর্জ্য নির্গমন প্রতিরোধে প্রতিটি কারখানায় ইটিপি সক্রিয় করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান তারা।
কর্মশালায় আরো জানানো হয়, এরই মধ্যে ব্রির উন্নত ২২টি ধানের জাত বিদেশে চাষাবাদের জন্য অনুমোদন পেয়েছে, যা দেশের গবেষণা সক্ষমতার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।
ব্রির পরিচালক (গবেষণা) ও ল্যাবরেটরি চিফ ড. মো. রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সিনিয়র লিয়াজো অফিসার ড. মোহাম্মদ আব্দুল মোমিনের সঞ্চালনায় কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্রির পরিচালক (প্রশাসন ও সাধারণ পরিচর্যা) ড. মুন্নুজান খানম। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এগ্রোমেট ল্যাবের ল্যাবরেটরি কো-অর্ডিনেটর ড. এবিএম জাহিদ হোসেন।










