সরকার পদত্যাগের এক দফা দাবিতে ৪ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় সিরাজগঞ্জে দুটি রেলস্টেশনে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এ সময় ক্ষতিগ্রস্ত হয় শহীদ এম মনসুর আলী ও সদর উপজেলার বাজার রেলস্টেশন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সারা দেশে আবার ট্রেন চলাচল শুরু হলেও ক্ষতিগ্রস্ত দুই স্টেশন চালু করা হয়নি এখনো। নতুন করে স্টেশনের কার্যক্রম শুরু হওয়া নিয়েও দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা।

ট্রেনের যাত্রীরা বলছেন, সিরাজগঞ্জ-ঢাকা রুটে চলাচলকারী সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনটি বন্ধ রয়েছে। এতে সেবাবঞ্চিত হচ্ছেন যাত্রীরা। বিপাকে পড়েছেন এ রুটে চলাচলকারী কয়েক হাজার যাত্রী। স্টেশন দুটি দ্রুত সংস্কার করে সেবা কার্যক্রম শুরু এবং সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেন চালুর দাবি জানিয়েছেন তারা।

পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের বিভাগীয় ট্রাফিক অফিসার (পাকশী) আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘আগুনে যন্ত্রপাতি ও সব আসবাব ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে ঘটনার দিন থেকে স্টেশন দুটির কার্যক্রম বন্ধ রাখতে হয়েছে। এ কারণে সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেন চলাচল বন্ধ এবং শহীদ এম মনসুর আলী স্টেশনে ট্রেনের যাত্রাবিরতিও বন্ধ রাখা হয়েছে।’ তবে কবে নাগাদ স্টেশন দুটির কার্যক্রম চালু করা যাবে সে বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি তিনি।

সিরাজগঞ্জ রেলওয়ের জ্যেষ্ঠ উপসহকারী প্রকৌশলী (ওয়ে) আহসানুর রহমান বলেন, ‘ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের কারণে স্টেশন দুটির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অনেক কিছু লুটপাট হয়ে গেছে। স্টেশন দুটির ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায়  সেগুলো পুনঃস্থাপন করে স্টেশনগুলো চালু করতে কিছুটা সময় লাগবে।’