পর্যটন নগরী কুয়াকাটায় কয়েক হাজার ব্যবসায়ী রয়েছেন। যারা পর্যটন শিল্পের ওপর নির্ভরশীল। তাদের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটির ওপর তেমন কোনো জ্ঞান নেই। দক্ষ কর্মীও নেই। এ কারণে পর্যটকদের সঠিক সেবা তারা দিতে পারছে না। এবার সে ঘাটতি পূরণে পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় আন্তর্জাতিক মানের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ট্রেনিং ইনস্টিটিউট নির্মাণ হতে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক মানের সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব কুয়াকাটার (টোয়াক) প্রেসিডেন্ট রুমান ইমতিয়াজ তুষার বলেন, ‘আমাদের দায়িত্ব পর্যটককে সর্বোচ্চ সেবা দেয়া। আমরা যত সেবার মান বৃদ্ধি করতে পারব, পর্যটক তত সন্তুষ্ট হবেন। পর্যটকদের আগমন আরো বৃদ্ধি পাবে। পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর কুয়াকাটায় পর্যটকের আগমন বেড়েছে। কিন্তু অদক্ষ ব্যবসায়ীদের যদি ট্রেনিংয়ের আওতায় না আনা হয়, অদূর ভবিষ্যতে পর্যটকের চাপ কমতে থাকবে। সরকারের এ উদ্যোগকে আমরা স্বাগত জানাই।’

পায়রা বন্দর চেয়ারম্যান রিয়াল এডমিরাল মোহাম্মদ গোলাম সাদেক বলেন, ‘ঢাকা-কুয়াকাটা চার লেন সড়ক এবং রেল সংযোগ চালু হলে কুয়াকাটায় পর্যটকের চাপ বাড়বে। পাশাপাশি বিদেশী পর্যটকের আগমনও বাড়বে। সুতরাং পর্যটকের সেবার মান নিশ্চিতে ট্রেনিং ইনস্টিটিউট নির্মাণের উদ্যোগ সময় উপযোগী।’

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আবু তাহের মোহাম্মদ জাবের বলেন, ‘আন্তর্জাতিক মানের সেবা নিশ্চিত করতে এবং পর্যটন শিল্পে তরুণ শ্রম শক্তি কাজে লাগাতে সরকার ট্রেনিং ইনস্টিটিউট নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে। চার একর জমির ওপর এ ইনস্টিটিউটটি নির্মিত হবে। আমাদের কার্যক্রম চলমান, জমি পেলেই দ্রুত নির্মাণকাজ শুরু হবে।’