আবারো ফেরি সঙ্কটের কারণে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটে তীব্র জানজটের সৃষ্টি হয়েছে। ঘাট এলাকায় আটকা পড়েছে শত শত পণ্যবাহী ট্রাক। সাধারণ যানবাহনগুলোরও ফেরির নাগাল পেতে লাগছে কমপক্ষে দুদিন। শৈত্যপ্রবাহের কারণে এসব বাহনের চালক ও যাত্রীদের পোহাতে হচ্ছে নানা ভোগান্তি।
আজ মঙ্গলবার বিকেলে সরেজমিনে গিয়ে দৌলতদিয়া ঘাটে দেখা যায়, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে ছেড়ে আসা ঢাকামুখী বিভ্ন্নি বাহন ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের দৌলতদিয়া জিরো পয়েন্ট থেকে দৌলতদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ পর্যন্ত ৩ কিলোমিটার এলাকায় দুটি সারিতে আটকা। যানগুলোর মধ্যে রয়েছে যাত্রীবাহী বাস, প্রাইভেটকার ও পণ্যবাহী ট্রাক।
বিভিন্ন বাস-ট্রাক চালদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গতকাল সোমবার থেকে তারা ঘাট এলাকায় গাড়ির সিরিয়ালে আটকা পড়েছেন। কখন তারা ফেরির নাগাল পাবেন, তাও বলতে পারছেন না।
ঘাট এলাকায় সক্রিয় দালাল চক্রের ব্যাপারেও অভিযোগ করেন এসব চালক। জানান, দালালদের বাড়তি কিছু টাকা দিলে আগেভাগে ঘাট পার হওয়া যায়।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাট কাউন্টারে দায়্ত্বিরত কর্মকর্তা রাজু আহম্মেদ বলেন, সোমবার রাতে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে হাসনাহেনা নামে একটি ইউটিলিটি ফেরি বিকল হয়ে যায়। ফেরিটি এখন পাটুরিয়ায় ভাসমান কারখানায় রয়েছে। এ নিয়ে মোট পাঁচটি ফেরি ভাসমান কারখানায় রয়েছে। বর্তমানে ছোট-বড় মিলে ১৪টি ফেরি চলাচল করছে।
তিনি আরো জানান, পচনশীল পণ্যবাহী গাড়ি ও যাত্রীবাহী বাস সাধারণত তিন-চার ঘণ্টা পর ফেরিতে উঠতে পারছে। সাধারণ পণ্যবাহী বা অপচনশীল গাড়িগুলোকে বেশি সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
দালাল চক্রের বিষয়ে ঘাট কর্তৃপক্ষের কেউ কথা বলেননি।










