জয়পুরহাট জেলায় ৫২ কিলোমিটার রেলপথ রয়েছে। এসব রেলপথে ৪০টি গেট রয়েছে। যার বেশির ভাগই অরক্ষিত। যেখানে নেই কোনো গেটম্যান। ঝুঁকি নিয়ে রেললাইন পার হতে পথচারীকে। প্রাণহানি রোধে দ্রুত গেটম্যান রাখার দাবি এলাকাবাসীর।
রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, জয়পুরহাট জেলার ৫২ কিলোমিটার রেললাইনের ওপর দিয়ে ঢাকা, খুলনা, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, পঞ্চগড়সহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ১৩টি ট্রেন চলাচল করে। এসব ট্রেন যাতায়াত করছে অরক্ষিত রেলগেট দিয়ে। এর আগে অরক্ষিত রেলক্রসিংয়ে ছোট-বড় দুর্ঘটনা ও প্রাণহানিও ঘটেছে।
জয়পুরহাট সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী হাসান, মামুন, রহিমা ও মুনিরা বলেন, আমাদের প্রতিনিয়ত বারোঘাটী পুকুরের দক্ষিণ পাশের অরক্ষিত রেললাইনের ওপর দিয়ে কলেজে যেতে হয়। এখানে কোনো গেটম্যান নেই। ঝুঁকি নিয়ে রেললাইন পার হতে হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা শফিক, আলী হাসান, বাবু, রেজা, ফাতেমা ও বিলকিস বলেন, জয়পুরহাট ছোট শহর হলেও ব্যস্ততম। রেললাইনসংলগ্ন হাটবাজার, স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান রয়েছে। বিভিন্ন স্থানে অরক্ষিত রেললাইনের ওপর দিয়ে প্রতিদিনই যানবাহনসহ পথচারীদের চলাচল করতে হয়। অরক্ষিত রেললাইনগুলোয় কোনো গেটম্যান নেই। এ কারণে অনেক সময় ট্রেনের সামনে পড়তে হয়। এর আগে অনেক দুর্ঘটনা ঘটেছে। গেটম্যান থাকলে জানতে পারব কখন ট্রেন আসবে। তাহলে কিছুটা ঝুঁকি কমবে।
এ বিষয়ে জয়পুরহাট রেল স্টেশনের মাস্টার রেজাউল ইসলাম বণিক বার্তাকে বলেন, ‘রেলগেট নির্মাণ ও নিয়ন্ত্রণ করার দায়িত্ব রেলওয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টের। স্টেশন এলাকার উত্তর ও দক্ষিণ দিকে দুটি রেলগেট আমাদের নিয়ন্ত্রণে। অরক্ষিত রেলগেটগুলোর ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তারা ব্যবস্থা নেবে।’










