টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে বসতঘর থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল সকালে উপজেলার দিঘড় ইউনিয়নের কাশতলার খামারপাড়া এলাকার নিজ বাড়িতে তাদের মরদেহ পাওয়া যায়। নিহতরা হলেন ওই গ্রামের সৌদি প্রবাসী জয়নুদ্দিনের স্ত্রী সুমি আক্তার (২৫), জয়নুদ্দিনের
মা জমেলা বেগম (৬৫) ও সুমির পরকীয়া প্রেমিক শাহজালাল ইসলাম সোহাগ (৩০)। প্রেমিক শাহজালাল কালিহাতী উপজেলার সাতুটিয়া পূর্বপাড়া এলাকার সোহরাব আলীর ছেলে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে নিহত সুমির ছেলে শাফি (৩)।
টাঙ্গাইল র্যাব-১২ সিপিসি-৩-এর কোম্পানি কমান্ডার লে. আব্দুল্লাহ আল মামুন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয়রা জানান, সুমি বেগমের পরকীয়া প্রেমিক শাহজালালের বাড়ি কালিহাতী পৌরসভার সাতুটিয়া এলাকায়। তিনি সাতুটিয়ার সোহরাব আলীর ছেলে। গৃহবধূ সুমি বেগম ঘাটাইলের কাশতলা দক্ষিণপাড়া সুতারবাড়ির জিন্নত আলীর মেয়ে। সুমি ও শাহজালালের মরদেহ প্রবাসী জয়েন উদ্দিনের বসতঘরের বিছানার ওপর এবং জমিলা খাতুনের মরদেহ ঘরের মেঝেতে পড়ে ছিল। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। তিনজনের মরদেহ উদ্ধার হওয়া বসতঘরের দেয়ালে নিহতদের রক্ত দিয়ে লেখা রয়েছে ‘এমনটা হতো না যদি আমার সুমি আমার কাছে থাকত, এ সবকিছুর জন্য সুমির বাবা দায়ী।’
এতে ধারণা করা হচ্ছে পরকীয়াসংক্রান্ত কোনো ঘটনা থেকে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
র্যাব কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, জমেলা, সুমি ও শাহজালাল নামের তিনজনের মরদেহ বসতঘরে পাওয়া গেছে। এ সময় সুমির শিশুসন্তানকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, মরদেহের পাশে ছুরি ও হাতুড়ি পাওয়া গেছে। পরকীয়ার জেরে এ ঘটনা ঘটতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।










