দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষের যাতায়াতের অন্যতম প্রবেশদ্বার পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌ-রুট। গতকাল দুপুরের পর থেকে বেড়েছে ঈদে ঘরমুখো মানুষ ও যানবাহনের চাপ। চাপ বাড়লেও ভোগান্তি নেই বলে জানিয়েছেন ফেরিঘাটসংশ্লিষ্টরা।
যাত্রীরা বলছেন, পদ্মা সেতু চালু হওয়ার আগে ভোগান্তি ছিল নিত্যদিনের। এখন ভোগান্তি ছাড়াই ঘরে ফিরতে পারছে মানুষ।
ঘরমুখো মানুষ ও যানবাহন পারাপারে সব প্রস্তুতি রয়েছে। নৌ-রুটে পর্যাপ্ত ফেরি রয়েছে। বড় ধরনের কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে তেমন সমস্যা হবে না বলে জানিয়েছেন বিআইডব্লিউটিসি আরিচা কার্যালয়ের ডিজিএম শাহ খালিদ নেওয়াজ।
জেলা প্রশাসক রেহেনা আকতার জানান, সার্বক্ষণিক মেডিকেল ক্যাম্প প্রস্তুত রাখা হয়েছে। যাত্রীরা যাতে হয়রানি শিকার না হন, সেজন্য ফেরিঘাট ও মহাসড়কে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসানো হয়েছে।










