বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুর দিনই বহিষ্কার করা হয়েছে দলটির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানাকে। এ নিয়ে কিছুটা বিস্মিত এই নেত্রী। তবে এ ঘটনাকে নিজের জীবনের নতুন অধ্যায়ের সূচনা বলে মনে করছেন তিনি।
দল থেকে বহিষ্কারের পর বিবিসি বাংলাকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, এটা আমার জীবনের নতুন অধ্যায়ের সূচনা ও নতুন যাত্রা। স্বতন্ত্র নির্বাচন করার কারণে বহিষ্কারের ঘটনা ঘটতে পারে, এমনটা জানতেন বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
তিনি বলেন, বহিষ্কারাদেশ এসছে এটা স্বাভাবিক। এটা তো হবেই। তবে তিনি যেদিন চলে গেলেন সেদিনই বহিষ্কারাদেশ আসাটাকে আমি বলবে যে, এটা আল্লাহর একটা ইশারাও বটে।... যিনি আমাকে এনেছিলেন, যার ছায়ায় আমি ছিলাম, তিনি যেদিন চলে গেলেন, বিএনপির সঙ্গে আমার যাত্রাও সেদিনই শেষ হলো।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোরে মারা যান বিএনপই চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। এদিন সকাল ১১টায় দলের স্ট্যান্ডিং কমিটির এক বৈঠকে রুমিন ফারহানাসহ নয়জনকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। পরে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার দায়ে রুমিন ফারহানাসহ নয়জনকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হলো।















