প্রথমবার গোপালগঞ্জের তিনটি আসনে জয় পেয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থীরা। আওয়ামী লীগ অধ্যুষিত এ অঞ্চলটির পক্ষে এই প্রথম সংসদে যাচ্ছেন তারা। তবে বিভেদ ভুলে চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখতে চান তারা। সাম্য, মানবিক, অসাম্প্রদায়িক, দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত জেলা হিসেবে গোপালগঞ্জকে গড়তে চান।
গতকাল দুপুরে শহরের থানাপাড়ার নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন গোপালগঞ্জ-২ আসনে বিজয়ী প্রার্থী ডা. কেএম বাবর। তিনি বলেন, ‘গোপালগঞ্জের মানুষ আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন। গোপালগঞ্জবাসীর শান্তি, নিরাপত্তা ও সুশাসন নিশ্চিত করাই আমার অগ্রাধিকার ভিত্তিক প্রথম কাজ।’
তিনি বলেন, ‘জনগণ আমাকে ভালোবেসে ভোট দিয়েছে। আমি তাদের প্রতিদান দিতে চাই। গোপালগঞ্জের মানুষের পাশে দাঁড়াতে চাই। তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে। শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনা হবে। বিগত সরকার গোপালগঞ্জের জন্য যা করতে পারেনি, সেই কাজগুলো আমি করতে চাই।’
সমাজে শান্তিপূর্ণ সহঅবস্থানকে অগ্রাধিকার দেয়ার কথা জানিয়েছেন গোপালগঞ্জ-১ (মুকসুদপুর-কাশিয়ানীর একাংশ) বিজয়ী কেন্দ্রীয় বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক সেলিমুজ্জামান সেলিম। তিনি বলেন, ‘বিগত দিনগুলোতে আমাদের সমাজ দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়েছে। সম্প্রীতি বজায় রেখে পরস্পর পরস্পরের ভ্রাতৃত্ব বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারি, সেই কাজটাই আমি সর্বপ্রথম করব। এতে সমাজে শান্তি আসবে। সম্প্রীতি বজায় থাকবে।’
গোপালগঞ্জ-৩ (টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া) আসনে বিজয়ী এসএম জিলানী বলেন, ‘আগামী দিনে একটি সাম্য, মানবিক, অসাম্প্রদায়িক, দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে চাই। সেজন্য আমি এলাকার সব মানুষের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করছি। পরিকল্পিতভাবে এখানকার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করার পরিকল্পনা আগে কেউ গ্রহণ করেনি। আমি চেষ্টা করব ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প গড়ে তোলার।’










