বরিশালের বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীতে হঠাৎ করেই ভাঙন দেখা দিয়েছে। গতকাল সকালে উপজেলার বাইশারি ইউনিয়নে নদীর দুই কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ভাঙন দেখা দেয়। এতে পাঁচটি ঘর, ফসলি জমি ও গাছপালা বিলীন হয়ে গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, সকালে হঠাৎ সন্ধ্যা নদীর তীরের আবু বকর ঘরামির টিন কাঠের ঘর, গাছপালা ও বেশ কয়েক শতক জমি নদী ভাঙনে বিলীন হয়ে যায়। তবে ওই সময় বাড়িটিতে লোকজন না থাকায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। একই সঙ্গে বানারীপাড়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ গোলাম ফারুক ও প্রতিবেশী মাহাতাব ফকিরদের বাড়ির একাংশ নদী ভাঙনের শিকার হয়।
উপজেলার বাইশারি গ্রামের বাসিন্দা ওয়াসিম মৃধা বলেন, ‘সকাল ৮টার দিকে ভাঙন শুরু হয়। চলমান ভাঙনে প্রায় ৫০ শতক জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এতে আমার চাচা শ্বশুর মো. আবু বকর ঘরামির বসতঘর ও বহু গাছপালা নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙনের মুখে রয়েছে আমার শ্বশুরের ঘর। শুকনো মৌসুমে নদীতে ভাঙন নেই। আর ভূমিকম্পের আগেই এ ঘটনা ঘটেছে। তাই ধারণা করা হচ্ছে সন্ধ্যা নদী থেকে অবাধে বালি উত্তোলনের কারণেই ভাঙনের ঘটনা ঘটেছে।’
আবু বকর ঘরামি বলেন, ‘আমাদের মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকু নদীতে চলে গেছে। পরিবার নিয়ে কীভাবে আমরা জীবনযাপন করব? জায়গা জমি, বসতঘর হারিয়ে আমরা সহায়-সম্বলহীন।’
এদিকে বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন ও ভুক্তভোগী পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর কথা জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বায়জিদুর রহমান বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’










