খাগড়াছড়িতে জেলা পরিষদ ভবনের ছাদ ধসে দুই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো পাঁচজন। আহতদের খাগড়াছড়ি আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। গতকাল বিকাল ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
খাগড়াছড়ি সদর থানার ওসি আরিফুর রহমান জানান, জেলা পরিষদের পুরনো ভবনের সামনে নতুন করে ছাদের একটি অংশ বর্ধিত করার কাজ চলছিল। ঠিকাদার কৈলাশ ত্রিপুরা ও ক্যাজরী মারমা যৌথভাবে ২২ শ্রমিক দিয়ে সকাল থেকে প্রায় ৩০ ফুট উঁচুতে ছাদের কাজ করাচ্ছিলেন। এত উঁচুতে কাজ করালেও ছাদের নিচে কোনো লোহার ঠেস দেয়া হয়নি। নিচে বাঁশ দিয়ে ছাদের ঠেস দেয়া হয়।
তিনি আরো বলেন, কাজ চলা অবস্থায় হঠাৎ ছাদের একাংশ ধসে পড়ে। ধারণা করা হচ্ছে অতিরিক্ত ভারের কারণে ছাদের নিচের বাঁশগুলো ভার রাখতে না পারায় ভেঙে পড়ে। এ সময় ছাদের ওপরে এবং নিচে থাকা বেশ কয়েকজন শ্রমিক চাপা পড়েন। সেনা সদস্য, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির স্বেচ্ছাসেবক, খাগড়াছড়ি ব্লাড ডোনার অ্যাসোসিয়েশন ও খাগড়াছড়ি ফায়ার সার্ভিসের লোকজন ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে মৃত ও পাঁচজনকে গুরুতর আহতাবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। মৃত একজন শ্রমিক খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার সবুজবাগ এলাকার আমিনুল ইসলামের ছেলে সাজ্জাদ হোসেন (২২) হলেও অন্যজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
আহতরা হলেন সদর উপজেলার শালবন এলাকার মৃত আবদুস সামাদের ছেলে রোকন (৩৮), আবদুস
সালামের ছেলে হানিফ মিয়া (২৫), মোসলেহ
উদ্দিনের ছেলে সোহেল (২০), থলিপাড়ার
লালু চান মিয়ার ছেলে হাসান (২৪) ও মাটিরাঙ্গার আবদুল খালেকের ছেলে হানিফ (২০)।










