পঞ্চগড়ে কার্তিকের শুরুতে দেখা মিলেছিল কুয়াশার। আবারো কার্তিকের শেষে এসে গভীর রাত থেকে ঘন কুয়াশায় ঢাকছে প্রকৃতি। ভোর থেকে ঘন কুয়াশা না থাকলেও তাপমাত্রা নেমে এসেছে ১৬ দশমিক ২ ডিগ্রিতে। কুয়াশার কারণে গতকাল নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরে উড়োজাহাজ ওঠানামায় বিঘ্ন ঘটেছে। সকাল ৮টায় কুয়াশায় দুটি বিমান অবতরণ করতে পারেনি। শিডিউল বিপর্যয় হলেও কোনো ফ্লাইট বাতিল হয়নি। ৩ ঘণ্টা পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত সাতদিন দিনের তাপমাত্রার ব্যবধান কমছে। কয়েকদিন ধরে ১৬-১৭ ডিগ্রিতে তাপমাত্রা ওঠানামা করছে। মাঝে মাঝে মৃদু গতিতে বইছে হিমেল হাওয়া। রাত থেকে সকাল পর্যন্ত ঝরছে কুয়াশা। স্থায়িত্ব বেশিক্ষণ থাকে না। যখন কুয়াশা নামে তখন হেড লাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলতে দেখা গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, পঞ্চগড়ের মানুষ শীত মোকাবেলা করতে অভ্যস্ত। কারণ শীতকালে তাপমাত্রা এখানে ৫ ডিগ্রি পর্যন্ত নেমে যায়। তেঁতুলিয়ায় কয়েক দিন ধরে কুয়াশা পড়ছে, যা শীতের অনুভূতিকে তীব্র করছে। দিনে শীতের পোশাক না পরলেও সন্ধ্যার পর বাড়ি থেকে বের হলেই মোটা কাপড় পরতে হচ্ছে।
তেঁতুলিয়া প্রথম শ্রেণীর আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের সিনিয়র পর্যবেক্ষক রোকনুজ্জামান জানান, কার্তিক শেষে শীতের অনুভূতি বাড়ছে। অগ্রহায়ণের শুরু থেকেই পুরোপুরি শীতের আশঙ্কা রয়েছে।
এদিকে গতকাল সকালে ঘন কুয়াশার কারণে নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরে বিমান ওঠানামায় বিঘ্ন ঘটেছে। সকাল ৮টার দুটি ফ্লাইটের শিডিউল বিপর্যয় ঘটেছে। যাত্রীরা রানওয়েতে অপেক্ষায় ছিলেন।
সৈয়দপুর আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লোকমান হাকিম জানান, ভোর থেকে কুয়াশায় ঢেকে যায় জনপদ। সকালে তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বিমান চলাচলের জন্য কমপক্ষে দুই হাজার মিটার ভিজিবিলিটি (দৃষ্টিসীমা) থাকার কথা থাকলেও সেখানে মাত্র ৫০ মিটার বিরাজ করছিল। ফলে বিমান চলাচলে কিছুটা বিঘ্ন ঘটেছে।
সৈয়দপুর বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপক একেএম বাহাউদ্দিন জাকারিয়া জানান, সকালের ফ্লাইট বাতিল করা হয়নি। শিডিউল বিপর্যয় ঘটেছে। বেলা ১১টার পর আকাশ পরিষ্কার হলে উড়োজাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হয়।










