রাজশাহীতে নিষিদ্ধ বালাইনাশক ব্যবহারের কারণে ৬৮ শতাংশ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ৯৩ দশমিক ৩৭ শতাংশ ব্যবহারকারী জানেই না এটি বিপজ্জনক কীটনাশক। বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ রিসোর্স সেন্টার ফর ইন্ডিজিনাস নলেজের (বারসিক) গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে।
গতকাল বেলা সাড়ে ১১টায় নগরীর জিরোপয়েন্টে একটি রেস্তোরাঁয় জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের ওপর কীটনাশকের ক্ষতিকর প্রভাব বিষয়ক মাঠ পর্যায়ে অনুসন্ধানমূলক সমীক্ষা শীর্ষক সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করে গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি। এতে যে গবেষণাপত্রটি উপস্থাপন করা হয়।
গবেষণাপত্রে দাবি করা হচ্ছে, দেশের চারটি এলাকায় নিষিদ্ধ কীটনাশকের ভয়াবহ প্রভাব পড়তে দেখা গেছে। শুধু রাজশাহী বিভাগের আট জেলার ১৯টি গ্রামে মাঠ পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ করে দেখা গেছে, বালাইনাশক ব্যবহার করে শতকরা ৬৮ শতাংশ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বাজারে অহরহ এসব নিষিদ্ধ কীটনাশক পাওয়া যাচ্ছে, যেটি নিয়ন্ত্রণে সরকারের কোনো তদারকি নেই। গবেষণায় বলা হয়, এসব নিষিদ্ধ কীটনাশক ব্যবহার করে কৃষক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা বেড়েছে।
আয়োজকরা বলেন, নিষিদ্ধ কীটনাশকও ব্যবহার কঠোরভাবে বন্ধ করতে হবে। আইন ও বিধির প্রয়োগ করতে হবে। এ সম্পর্কিত স্বাস্থ্য তথ্য নিবন্ধন করতে হবে। কীটনাশকের ফলে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ তহবিল গঠন করতে হবে। শিগগিরই এসব বিষয় নিয়ে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে আলোচনা করা হবে।










