আর ঠিক এ কারণেই কিউএস বাংলাদেশ ফোরামটি গুরুত্বপূর্ণ। এটি শুধু রÅvংকিং বা বৈশ্বিক মানদণ্ড নিয়ে আলোচনা করার সুযোগই দিচ্ছে না, বরং কীভাবে সবাই একসঙ্গে কাজ করে দেশের উচ্চ শিক্ষাকে পরবর্তী ধাপে নিয়ে যেতে পারি তারও সুযোগ তৈরি হচ্ছে। কীভাবে আমরা শিক্ষা ও গবেষণার মান আরো শক্তিশালী করতে পারি, স্নাতকদের ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করতে পারি, ডিজিটাল রূপান্তর করতে পারি, আন্তর্জাতিক সহযোগিতাকে আরো গভীর করতে পারি এবং বৈশ্বিক মঞ্চে বাংলাদেশী বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যেন তাদের প্রাপ্য স্বীকৃতি অর্জন করতে পারে সেসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করা এবং লক্ষ্যগুলো অর্জনে এটি সাহায্য করবে। আমার বিশ্বাস, আমরা একটি শক্তিশালী উচ্চ শিক্ষা ব্যবস্থায় অবদান রাখতে পারব এবং বৈশ্বিক একাডেমিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশকে আরো জোরালোভাবে তুলে ধরতে পারব। আমি ধন্যবাদ জানাই কিউএস, ইউজিসি, এপিইউবি এবং এআইইউবির দল, আমাদের আয়োজক কমিটি, স্বেচ্ছাসেবক এবং সেসব মানুষ, যাদের নিষ্ঠা ও কঠোর পরিশ্রমে এ ফোরামটি সফলভাবে আয়োজন করা সম্ভব হয়েছে।
কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ই বিচ্ছিন্ন থেকে প্রকৃত উৎকর্ষ অর্জন করতে পারে না
<p data-block-key="cmtxc"><b>নাদিয়া আনোয়ার</b></p><p data-block-key="dpkfo">চেয়ারম্যান, বোর্ড অব ট্রাস্টিজ, এআইইউবি</p>
বিশ্ববিদ্যালয়, সরকার, শিল্প খাত, আন্তর্জাতিক অংশীদার এবং সমাজের মধ্যে সহযোগিতার মাধ্যমেই শিক্ষা খাতে প্রকৃত অগ্রগতি আসে। কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ই বিচ্ছিন্নভাবে থেকে প্রকৃত উৎকর্ষ অর্জন করতে পারে না।
বিশ্ববিদ্যালয়, সরকার, শিল্প খাত, আন্তর্জাতিক অংশীদার এবং সমাজের মধ্যে সহযোগিতার মাধ্যমেই শিক্ষা খাতে প্রকৃত অগ্রগতি আসে। কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ই বিচ্ছিন্নভাবে থেকে প্রকৃত উৎকর্ষ অর্জন করতে পারে না।










