চলতি বছরের শুরুতে বড় ধরনের শ্রমিক অসন্তোষের মুখে পড়ে পেরুর কপার উত্তোলন খাত। ফলে এ খাত অনেকটাই স্থবির হয়ে পড়ে। তবে এ ঘটনা ছাপিয়ে দেশটি ২০২৩ সালে ধাতুটির উত্তোলন বাড়ানোর বিষয়ে আশা প্রকাশ করেছে। খাতসংশ্লিষ্টরা জানান, সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চললেও বিশ্বে লাল ধাতুর দ্বিতীয় শীর্ষ উৎপাদকের খেতাব ধরে রেখেছে দেশটি।
রয়টার্সের খবরে বলা হয়, দক্ষিণ আমেরিকার দেশটিতে ২০ বছরের ইতিহাসে ভয়াবহ বিক্ষোভ শুরু হয়। যে কারণে জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে সুদানের অধিকাংশ খনি থেকে কপার উত্তোলন বন্ধ রাখা হয়। সবচেয়ে বেশি কপারসমৃদ্ধ আন্দিয়ান শহরে বড় সহিংসতার ঘটনা ঘটে। বিক্ষোভের কারণে খনিতে প্রবেশ ও বের হওয়ায় যে প্রতিবন্ধকতা ছিল তা এখন স্বাভাবিক অবস্থায়।
মাইনিং খাতের সংস্থা এসএনএমটিইর প্রেসিডেন্ট ও পেরুর আন্তামিনা খনির প্রধান নির্বাহী ভিক্টর গোবিটজ বলেন, ‘দক্ষিণ করিডোরের কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চলছে।’
পেরুর প্রাইভেট পাওয়ার সেক্টর বডি সিওইএসের তথ্যানুযায়ী, মার্চের শুরুতে পেরুর শীর্ষ খনিগুলোর উত্তোলন কার্যক্রম পুনরায় স্থিতিশীল। চলতি বছরের শুরুতে যেগুলোয় উৎপাদন ও সরবরাহ বন্ধ ছিল।







