নভেল করোনাভাইরাসের মহামারীর কারণে শস্যের অভ্যন্তরীণ সরবরাহ শৃঙ্খল স্বাভাবিক রাখতে চেষ্টা করছে ইউক্রেন। সম্প্রতি দেশটির সরকার অতিমাত্রায় গম রফতানি করলে চালান স্থগিত করে দেয়ার সতর্কতা দিয়েছে। এর পরও দেশটি থেকে ১৭ এপ্রিল শেষ হওয়া সপ্তাহে গম রফতানি আগের সপ্তাহের তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়েছে। খবর রয়টার্স।
ইউক্রেনভিত্তিক কৃষিবিষয়ক তথ্য প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান এপিকে-ইনফর্মের তথ্য অনুযায়ী, ১১-১৭ এপ্রিলের মধ্যে দেশটি থেকে সব মিলিয়ে ৩ লাখ ১৭ হাজার টন গম আন্তর্জাতিক বাজারে রফতানি হয়েছে, আগের সপ্তাহের তুলনায় যা ৪৭ শতাংশ বেশি। আগের সপ্তাহে দেশটি মোট ২ লাখ ১৭ হাজার টন গম রফতানি করেছিল। সে হিসাবে এক সপ্তাহের ব্যবধানে ইউক্রেইন থেকে খাদ্যপণ্যটি রফতানি ১ লাখ ২ হাজার টন বেড়েছে।
মহামারীর শুরুর দিকে ইউক্রেন জানিয়েছিল, এ মুহূর্তে শস্য রফতানি বন্ধের কোনো পরিকল্পনা নেই দেশটির। তবে সম্প্রতি মত পাল্টেছে দেশটি। দেশটির অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী তারাস ভিসোতস্কি গত সপ্তাহে বলেন, ইউক্রেন বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ গম রফতানিকারক দেশ। তবে নভেল করোনাভাইরাস প্রকোপের মধ্যে অভ্যন্তরীণ বাজার সরবরাহ চক্র স্বাভাবিক রাখতে গমের অতিরিক্ত রফতানি রুখতে দেশটির সরকার প্রস্তুত রয়েছে।
এপিকে-ইনফর্মের তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০১৯-২০ মৌসুমের (জুলাই-জুন) শুরু থেকে ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত দেশটি থেকে মোট ১ কোটি ৮৫ লাখ ৬০ হাজার টন গম রফতানি হয়েছে। আগের মৌসুমের একই সময়ে দেশটি রফতানি করেছিল ১ কোটি ২০ লাখ টন গম। এ সময়ে দেশটির সামগ্রিক শস্য রফতানি দাঁড়িয়েছে ৪ কোটি ৭৪ লাখ ৩৬ হাজার টনে, ২০১৮-১৯ মৌসুমের একই সময়ে যা ছিল ৩ কোটি ৫৯ লাখ ২২ হাজার টন। চলতি মৌসুমে দেশটি সবচেয়ে বেশি শস্য রফতানি করেছে মিসর, তুরস্ক ও স্পেনের বাজারে।









