প্রতি বছরই কম্বোডিয়া থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে চাল রফতানি বাড়ছে।
এ
ধারাবাহিকতায় ২০১৯ সালে দেশটির চাল রফতানিতে ১৩ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধির দেখা মিলেছে।
এর
মধ্য দিয়ে চার বছর ধরে কম্বোডিয়ার চাল রফতানি প্রবৃদ্ধি বজায় রয়েছে।
প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় বিদায়ী বছরে কম্বোডিয়ার ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি চাল রফতানি হয়েছে।
মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) ফরেন এগ্রিকালচারাল সার্ভিসের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
খবর এগ্রিমানি ও ব্যাংকক পোস্ট।
ইউএসডিএর তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫ সালে কম্বোডিয়ার চাল রফতানিতে সর্বশেষ মন্দা ভাব দেখা গিয়েছিল।
ওই
বছর দেশটি থেকে ১০ লাখ ৫০ হাজার টন চাল রফতানি হয়েছিল, যা আগের বছরের তুলনায় ৮ দশমিক ৭০ শতাংশ কম।
পরের বছর কম্বোডিয়া থেকে খাদ্যপণ্যটির রফতানি ৯ দশমিক ৫২ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ১১ লাখ ৫০ হাজার টনে।
২০১৭ সালে দেশটি ১৩ লাখ টন চাল রফতানি করেছিল, যা আগের বছরের তুলনায় ১৩ দশমিক ৪ শতাংশ বেশি।
প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় ২০১৮ সালে কম্বোডিয়া থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে ১৩ লাখ ৫০ হাজার টন চাল রফতানি হয়েছিল।
এক
বছরের ব্যবধানে দেশটি থেকে খাদ্যপণ্যটির রফতানি বেড়েছে ৩ দশমিক ৮৫ শতাংশ।
দেশটির ইতিহাসে এটাই ছিল চাল রফতানির সর্বোচ্চ রেকর্ড।
গত বছর চাল রফতানিতে নতুন রেকর্ড গড়েছে কম্বোডিয়া।
এ
সময় দেশটির রফতানিকারকরা সব মিলিয়ে ১৪ লাখ টন চাল রফতানি করেছেন বলে জানিয়েছে ইউএসডিএ, যা আগের বছরের তুলনায় ৩ দশমিক ৭০ শতাংশ বা ৫০ হাজার টন বেশি।
ফলে আগের বছরের রেকর্ড ছাপিয়ে ২০১৯ সালে কম্বোডিয়া থেকে সবচেয়ে বেশি চাল রফতানি হয়েছে।
চলতি বছরও কম্বোডিয়ার চাল রফতানি খাতে প্রবৃদ্ধি বজায় থাকতে পারে।









