চিনির বৈশ্বিক উদ্বৃত্ত পূর্বাভাস কমিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল সুগার অর্গানাইজেশন (আইএসও)। ২০২২-২৩ মৌসুমে বিশ্বজুড়ে প্রত্যাশার চেয়ে কম চিনি উৎপাদন হবে বলে মনে করছে সংস্থাটি। এ কারণেই উদ্বৃত্তের পরিমাণ ক্ষীণ হয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
সংস্থাটি প্রান্তিকভিত্তিক এক প্রতিবেদনে জানায়, গত বছরের অক্টোবরে ২০২২-২৩ বিপণন মৌসুম শুরু হয়েছে। এ বছরের সেপ্টেম্বরে মৌসুম শেষ হবে। এ মৌসুমে পণ্যটির বৈশ্বিক উদ্বৃত্ত দাঁড়াবে ৪২ লাখ টনে। এর আগে গত বছরের নভেম্বরে দেয়া পূর্বাভাসে ৬২ লাখ টন উদ্বৃত্তের পূর্বাভাস দিয়েছিল সংস্থাটি।
আইএসওর নতুন প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, এ মৌসুমে বিশ্বজুড়ে ১৮ কোটি ৪ লাখ টন চিনি উৎপাদন হবে। এর আগের পূর্বাভাসে ১৮ কোটি ২১ লাখ টন উৎপাদনের কথা জানিয়েছিল সংস্থাটি।
ক্রেডিট রেটিং প্রতিষ্ঠান ফিচ সলিউশন জানায়, বছরজুড়ে অপরিশোধিত চিনির বৈশ্বিক বাজারদর ২০২১ সালের তুলনায় ২ শতাংশ বাড়তে পারে। প্রতি পাউন্ড অপরিশোধিত চিনির দাম ১৮ দশমিক ৬ থেকে বেড়ে ১৯ সেন্টে উন্নীত হতে পারে, যা ইতিহাসের সর্বোচ্চ। পণ্যটির এমন মূল্যবৃদ্ধি বিশ্বজুড়ে ক্রমবর্ধমান খাদ্যমূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের প্রচেষ্টাকে ব্যাহত করতে পারে।









