সম্প্রতি এ বছরের আয়ের পূর্বাভাস বাড়িয়েছে পেপসিকো। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, আগামী মাসগুলোয় প্রতিষ্ঠানটি দাম বাড়াতে পারে। এরই মধ্যে বিশ্বজুড়ে অনিয়ন্ত্রিত মূল্যস্ফীতির হারে বিপর্যস্ত দেশগুলো। এ সত্ত্বেও সোডা ও অন্যান্য পানীয় পণ্যের ক্ষেত্রে ভোক্তা চাহিদায় কোনো প্রতিবন্ধকতা দেখা যায়নি বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। খবর রয়টার্স।
কভিড-১৯ মহামারীর কারণে বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। একই সঙ্গে দাম বাড়ে কাঁচামালেরও। এতে দাম বাড়ানোর তাগিদ অনুভব করছে পেপসিকো। তবে মূল্যবৃদ্ধি সত্ত্বেও চাহিদায় ভাটা পড়েনি পণ্যের।
এ বিষয়ে পেপসিকোর প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তা হিউগ জনস্টোন বলেন, এর আগে মূল্যবৃদ্ধি সত্ত্বেও ভোক্তাদের চাহিদা আগের মতোই ছিল। সামনে দাম আরো বাড়ানোর প্রয়োজন হতে পারে। বিশ্ববাজারে ভোজ্য তেল থেকে শুরু করে প্যাকেজিংসহ সবকিছুরই দাম অব্যাহতভাবে ঊর্ধ্বমুখী।
এদিকে পেপসিকোর আয় প্রত্যাশাকে ছাড়িয়ে গিয়েছে। রেফিনিটিভ ডাটার তথ্য বলছে, চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) পেপসিকোর নিট আয় ৫ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে ২ হাজার ২৩ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। অথচ পূর্বাভাস বলছিল, ওই সময় আয় হবে ১৯ হাজার ৫১ কোটি ডলার।
২০২২ অর্থবছরের জন্য আয় ১০ শতাংশ বাড়ার প্রত্যাশা করছে বেভারেজ জায়ান্টটি। অথচ এর আগে আয় ৮ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেয়া হয়েছিল।









