সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরে প্রথম
চার মাসে (জুলাই-অক্টোবর) রাজস্ব আয় হয়েছে ২২৭ কোটি ১৫ লাখ টাকা, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৯৭ কোটি ৭৯ লাখ
টাকা কম। গত অর্থবছর একই সময়ে রাজস্ব আদায় হয়েছিল ২৮১ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। অর্থাৎ
বছরওয়ারি হিসাবেও অন্তত ৫৪ কোটি টাকা কম রাজস্ব আদায় হয়েছে।
বন্দরসংশ্লিষ্টরা বলছেন, সম্প্রতি
পণ্য আমদানি-রফতানি কমে যাওয়ায় এ রাজস্ব ঘাটতি পড়েছে। তবে ব্যবসায়ী নেতারা বলছেন, সব
ধরনের পণ্য আমদানির সুযোগ না থাকায় রাজস্ব লক্ষ্য পূরণ হচ্ছে না।
ভোমরা স্থলবন্দরে কাস্টমস রাজস্ব শাখা
থেকে প্রাপ্ত তথ্যমতে, চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রথম চার মাস (জুলাই-অক্টোবর) রাজস্ব
আদায় লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয় ৩২৪ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। এর মধ্যে জুলাইয়ে ৭২ কোটি ৪
লাখ, আগস্টে
৯২ কোটি ৮৮ লাখ, সেপ্টেম্বরে ৬৭ কোটি ৭১ লাখ ও অক্টোবরে ৯১ কোটি ৯৫ লাখ টাকা।
এ লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে গত চার মাসে
রাজস্ব আদায় হয়েছে ২২৭ কোটি ১৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে জুলাইয়ে ৪৮ কোটি ৯ লাখ, আগস্টে
৫৪ কোটি ৫৮ লাখ, সেপ্টেম্বরে ৬৮ কোটি ৭ লাখ ও অক্টোবরে ৫৭ কোটি ৪১ লাখ টাকা। ফলে রাজস্ব
ঘাটতি পড়েছে ৯৭ কোটি ৭৯ লাখ টাকা।
ভোমরা স্থলবন্দরের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট
ব্যবসায়ী অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান নাসিম বলেন, সম্ভাবনাময়
একটি স্থলবন্দর ভোমরা। চলতি অর্থবছর যে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে (এনবিআর), তারও
বেশি রাজস্ব আসতে পারে, যদি ব্যবসায়ীদের সব ধরনের পণ্য আমদানির সুযোগ দেয়া হয়। তিনি বলেন, পূর্ণাঙ্গ
বন্দর ঘোষণার পরও এখানে সব ধরনের পণ্য আমদানির সুযোগ নেই।
এ ব্যাপারে ভোমরা শুল্কস্টেশনের
দায়িত্বরত কাস্টমসের বিভাগীয় সহকারী কমিশনার মো. রেজাউল করিম জানান, রাজস্ব
ঘাটতি পড়েছে এটা ঠিক। অর্থবছরের কেবল চার মাস পার হয়েছে। এখনো সামনে আট মাস রয়েছে।
কোনো সমস্যা না হলে বাকি সময়ে লক্ষ্য অর্জন সম্ভব।









