২০২৩-২৪ বিপণন মৌসুমে কানাডায় তেলবীজের উৎপাদন কিছুটা কমবে। এছাড়া ক্যানোলার উৎপাদন বৃদ্ধি ও সয়াবিনের সংকুচিত হওয়ার কথাও বলা হয়েছে। গ্লোবাল এগ্রিকালচার ইনফরমেশন নেটওয়ার্কে প্রতিবেদন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) ফরেন এগ্রিকালচার সার্ভিস এ প্রতিবেদন তৈরি করেছে। খবর ওয়ার্ল্ড গ্রেইন।
দেশটির কৃষিজমিগুলোর আর্দ্রতার পরিমাণ বাড়ায় ক্যানোলার ফলন হার বেড়েছে। সেই সঙ্গে ২০২২-২৩ বিপণন মৌসুমে উৎপাদন ৩২ শতাংশ বেড়ে ১ কোটি ৮১ লাখ টনে উন্নীত হয়েছে। ২০২৩-২৪ মৌসুমে ১ কোটি ৮৩ লাখ টন উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে ২০২২-২৩ মৌসুমে ৬৫ লাখ টন সয়াবিন উৎপাদন হয়েছিল। চলতি মৌসুমে তা কমে ৬৩ লাখ টনে দাঁড়াবে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
সয়ামিল ও ক্যানোলামিলের সামগ্রিক উৎপাদন ৩ শতাংশ কমবে। প্রাণিসম্পদ খাতে চাহিদা সীমিত থাকায় প্রোটিনের উৎস হিসেবে সয়ামিলের ব্যবহারও স্থিতিশীল থাকবে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। ২০২৩-২৪ মৌসুমে তেলবীজের রফতানিও ১ দশমিক ৫ শতাংশ কমবে। কেননা অভ্যন্তরীণ পর্যায়ে ক্যানোলার ব্যবহার বাড়বে। তেলবীজ রফতানির দিক থেকে কানাডা বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম দেশ। শীর্ষ দুটি দেশ হচ্ছে ব্রাজিল ও যুক্তরাষ্ট্র। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোয় দেশটির রফতানি উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। দেশীয় চাহিদা বাড়ায় রফতানিতে এ প্রভাব পড়েছে।







