থাইল্যান্ডের চাল রফতানি গত মাসে এক বছরের ব্যবধানে ৭৫ দশমিক ২ শতাংশ বেড়েছে। রফতানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮ লাখ ৫ হাজার ৫১৯ টন। দেশটির বাণিজ্য মন্ত্রণালয় গতকাল এ তথ্য জানিয়েছে। খবর বিজনেস রেকর্ডার।
মন্ত্রণালয়সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যে থাই চালের ব্যাপক চাহিদা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি ডলারের বিপরীতে দেশটির মুদ্রার বিনিময় মূল্যও ছিল নিম্নমুখী। মূলত এ কারণেই রফতানি বেড়েছে। গত বছরের শেষ দিকে দেয়া ক্রয়াদেশের বিপরীতে এসব চাল রফতানি করা হয়েছে।
আর্থিক মূল্যের দিক থেকে রফতানি এক বছরের ব্যবধানে ৭৮ দশমিক ৭৬ শতাংশ বেড়েছে। রফতানি আয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৪২৮ কোটি বাথ বা ৪০ কোটি ৬৭ লাখ ২০ হাজার ডলার।
মন্ত্রণালয়ের বৈদেশিক বাণিজ্য বিভাগের প্রধান বলেন, ‘মুদ্রার বিনিময় মূল্য কমে যাওয়ায় রফতানিতে উল্লম্ফন দেখা দিয়েছে। পাশাপাশি মন্ত্রণালয়ের বাণিজ্যিক প্রচারণাও রফতানি বাড়াতে সহায়তা করেছে।’
চলতি বছরের জন্য ৭৫ লাখ টন চাল রফতানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে মন্ত্রণালয়। এ লক্ষ্যমাত্রা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা বাড়ানো-কমানোর আগে মন্ত্রণালয় বাথের বাজার ও আবহাওয়া পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখবে বলে জানা গেছে।
থাইল্যান্ড বিশ্বের তৃতীয় শীর্ষ চাল রফতানিকারক দেশ। ভারত ও ভিয়েতনামের পরই দেশটির অবস্থান। গত বছর থাইল্যান্ড সব মিলিয়ে ৭৬ লাখ ৯০ হাজার টন চাল রফতানি করে। ২০২১ সালের তুলনায় রফতানি ২২ দশমিক ১ শতাংশ বাড়ে। দেশটির সবচেয়ে বড় চালের বাজার ইরাক, দক্ষিণ আফ্রিকা, চীন ও যুক্তরাষ্ট্র।









