চট্টগ্রাম বন্দরে নয়জন ‘জুলাই যোদ্ধা’কে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয়া হয়েছে। সংস্থাটির বোর্ড সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১২ জানুয়ারি তাদের সঙ্গে নিয়োগ চুক্তি সম্পাদনের পর এ নিয়োগ কার্যকর করা হয়।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চিফ পারসোনেল অফিসারের কার্যালয় থেকে জারি করা দপ্তরাদেশে জানানো হয়, বোর্ড সিদ্ধান্ত নম্বর–১৯৭২১ (৯ নভেম্বর ২০২৫) অনুসারে বন্দরের কাজের স্বার্থে গেজেটভুক্ত এ ‘জুলাই যোদ্ধা’দের বিভিন্ন বিভাগে প্রশিক্ষণসেবা সহযোগী বা সহকারী হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

নিয়োগপ্রাপ্তরা চট্টগ্রাম বন্দর প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, প্রশাসন বিভাগ, নৌ-বিভাগ, নৌ-প্রকৌশল বিভাগ, বিদ্যুৎ বিভাগ, হাইড্রোগ্রাফি বিভাগ, অর্থ ও হিসাব বিভাগ, পরিকল্পনা বিভাগ এবং চট্টগ্রাম বন্দর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শাখায় দায়িত্ব পালন করবেন।

পদায়নকৃতদের মধ্যে রয়েছেন আরবী মোহাম্মদ আল মিরাজ, মোহাম্মদ সাকিল, মো. মেহেরাজ হোসেন, মাহবুবুল আলম, মো. শেফাতুল কাদের, সাইফুল ইসলাম, মোহাম্মদ তারেক, মো. আমির হোসেন ও মো. ইব্রাহীম। তারা সবাই গেজেটভুক্ত ‘জুলাই যোদ্ধা’।

দপ্তরাদেশে আরো বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো মাসিক ভিত্তিতে তাদের হাজিরা শিট প্রশাসন বিভাগে পাঠাবে। এর ভিত্তিতে প্রশাসন বিভাগ সেবামূল্যের বিল প্রস্তুত করে অর্থ ও হিসাব বিভাগে পাঠাবে। সেখান থেকে সংশ্লিষ্টদের নিজ নিজ ব্যাংক হিসাবে মাসিক সেবামূল্য পরিশোধের ব্যবস্থা নেয়া হবে। এছাড়া চুক্তিবদ্ধ প্রশিক্ষণসেবা সহযোগী ও সহকারীদের আগামী সাতদিনের মধ্যে তাদের ব্যাংক হিসাবসংক্রান্ত তথ্য জমা দিতে বলা হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দরের পরিচালক (প্রশাসন) মো. ওমর ফারুক বণিক বার্তাকে বলেন, ‘জুলাই যোদ্ধাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নয়জনকে অস্থায়ী ভিত্তিতে এক বছরের জন্য নিয়োগ দেয়া হয়েছে। আউটসোর্সিং নীতিমালা অনুযায়ী তারা মাসিক সেবামূল্য পাবেন।’

উল্লেখ্য, নিয়ম অনুযায়ী চট্টগ্রাম বন্দরে স্থায়ী পদে নিয়োগের জন্য আগে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এরপর প্রার্থীরা আবেদন করে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেন। পরে যোগ্যতা অনুসারে তাদের নিয়োগ দেয়া হয়।