২০২২ সালে চাকরি বদলের পরিকল্পনা করছে মেনা অঞ্চলের (মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা) ৯১ শতাংশ পেশাজীবী। চাকরিবিষয়ক পোর্টাল বাইট ডটকমের জরিপ বলছে, বৃহত্তর অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার সত্ত্বেও চাকরির বাজার এখন আবার কভিড-১৯ মহামারী-পূর্ব পরিস্থিতিতে ফেরত যাওয়াই এর কারণ।
দ্য ন্যাশনাল নিউজের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জরিপে অংশ নেয়া চাকরি পরিবর্তনে ইচ্ছুক ৮৬ শতাংশ কর্মজীবীর প্রত্যাশা, আগামী কয়েক বছরে দূরবর্তী নিয়োগ আরো বাড়বে। ৮৩ শতাংশ পেশাজীবীর পুরোপুরি অথবা খানিকটা দূর থেকে কাজ করার সুযোগ পাওয়াই প্রথম পছন্দ।
গত জুন মাসের ১-৩ জুলাই পর্যন্ত এ জরিপ করা হয়। তাতে সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, কুয়েত, লেবানন ও জর্ডানের ৩ হাজার ৬৭ জন অংশ নেয়।
বাইট ডটকমের হিউম্যান রিসোর্সের ডিরেক্টর ওলা হাদ্দাদ বলেন, নমনীয়তাকে এখন আর অতিরিক্ত সুবিধা হিসেবে দেখা হয় না। মূলত নমনীয়তাকে এখন ন্যূনতম প্রয়োজন হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। কারণ চাকরিপ্রার্থীরা ক্যারিয়ারে তাদের পরবর্তী সুযোগ নিয়েই বেশি ভাবছে।
আরব বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি সংযুক্ত আরব আমিরাতের চাকরির বাজার সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনার কারণে করোনাভাইরাস মহামারী পরিস্থিতি থেকে বেশ ভালো পুনরুদ্ধার করেছে। গত মে মাসে লিংকডইনের করা এক জরিপে উঠে এসেছে, ইউএই ও সৌদি আরবের ৭০ শতাংশ পেশাজীবী তাদের চাকরি ছেড়ে দেয়ার পরিকল্পনা করছে বা ছেড়ে দিয়েছে শুধু নমনীয়তার চর্চা না থাকার কারণে।
তবে ইউএই ও সৌদি আরবের ৭৪ শতাংশ পেশাজীবী বিশ্বাস করে, এ মহামারী সবার চোখ খুলে দিয়েছে যে কেন নিয়োগকর্তাদের নমনীয় কাজের বিষয়ে মনোভাব আরো বেশি বদল করা উচিত। বাইট ডটকমের ওই জরিপ বলছে, অংশগ্রহণকারীদের ৩৩ শতাংশের মতে, নিয়োগকর্তারা কর্মীদের মধ্যে নমনীয়তা ও যেকোনো পরিবর্তনে মানিয়ে নেয়ার সক্ষমতা থাকাটাকে একটা বিশেষ গুণ হিসেবে বিবেচনা করছেন।









