গম রফতানিতে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়াতে যাচ্ছে ভারত। অভ্যন্তরীণ বাজারে ভোক্তাদের চাহিদা অনুযায়ী পণ্যটির জোগান দিতে ও দাম নাগালের মধ্যে রাখতেই এ সিদ্ধান্ত। সম্প্রতি এমনটাই জানিয়েছে দেশটির ময়দা শিল্পমালিকদের সংগঠন ‘রোলার ফ্লাওয়ার মিলার্স ফেডারেশন’। খবর বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।

গম উৎপাদনে ভারত বিশ্বে দ্বিতীয়। রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণের পর বিশ্বব্যাপী দেখা দেয় মূল্যস্ফীতি। সে সুযোগে বেড়ে যায় ভারতের গম রফতানির সূচক। যদিও ২০২২ সালের মার্চ থেকে তাপমাত্রা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় কমতে থাকে উৎপাদন। সরবরাহ স্বল্পতা থেকে স্থানীয় বাজারে বেড়ে যায় গমের দাম। প্রতিক্রিয়ায় দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয় দেশটি। ২০২২ সালের মে মাসেই অভ্যন্তরে সরবরাহ নিশ্চিত করতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে গম রফতানিতে।

নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ উল্লেখ করা হয়নি। তবে সরকার ও কারখানার সঙ্গে সংযুক্ত বিভিন্ন উৎস থেকে জানানো হয়েছে, আগামী মাসে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা হবে। রোলার ফ্লাওয়ার মিলার্স ফেডারেশন অব ইন্ডিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রমোদ কুমার বলেন, ‘‌সরকার সব রকম প্রচেষ্টা চালিয়েছে। দাম কমেছে। ভোক্তারা ফেলছে স্বস্তির নিশ্বাস। গতি পেয়েছে রুটি ও বিস্কুট কোম্পানিগুলো। গম রফতানিতে এ নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখতে হবে।

নতুন মৌসুমের গম ভারতীয় বাজারে আসতে শুরু করেছে। কয়েক সপ্তাহের মধ্যে তা গতি লাভ করবে। ২০২৩ সালে দেশটির বার্ষিক গম উৎপাদনের প্রাক্কলন ছিল ১১ কোটি ২২ লাখ টন। যদিও হঠাৎ তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন কৃষক ও শিল্পমালিকরা। এর প্রভাব পড়তে পারে জাতীয় অর্থনীতিতে।