চীনে বিদ্যুচ্চালিত বাইক বা ই-বাইকের চাহিদার বিষয়টি আমলে নিয়ে এ খাতে নতুন জোটের ঘোষণা দিয়েছে হোন্ডা ও মুজি। সম্পূর্ণ দুই খাতের দুই জাপানি জায়ান্টের যূথবদ্ধতায় ই-বাইক খাতের গুরুত্ব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। গাড়ি নির্মাতা কোম্পানি হোন্ডা ও খুচরা বিক্রেতা কোম্পানি মুজির যৌথ প্রয়াসে নির্মিত ই-বাইকের সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ২৫ কিলোমিটার। শহুরে এলাকার তরুণ-তরুণীদের কাছে এ বাইক জনপ্রিয়তা পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। ২০১৪ থেকে ২০১৯ নাগাদ চীনে মোটরসাইকেল ও বাইসাইকেলসহ দুই চাকার বাহন বিক্রি ছিল তিন কোটি ইউনিটের আশপাশে। সিল্যান্ড সিকিউরিটিজ বলছে, ২০২০ সালে তা ৪ কোটি ৭৬ লাখ ইউনিট ছাড়িয়েছে। বিশাল এ বাজারে আপাতত প্রতি বছর পাঁচ হাজার ই-বাইক বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা হোন্ডা ও মুজির। নিক্কেই এশিয়া
চীনে ই-বাইক নির্মাণে যূথবদ্ধ হয়েছে হোন্ডা ও মুজি
চীনে বিদ্যুচ্চালিত বাইক বা ই-বাইকের চাহিদার বিষয়টি আমলে নিয়ে এ খাতে নতুন জোটের ঘোষণা দিয়েছে হোন্ডা ও মুজি। সম্পূর্ণ দুই খাতের দুই জাপানি জায়ান্টের যূথবদ্ধতায় ই-বাইক খাতের গুরুত্ব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।









