ইউক্রেনে সামরিক আগ্রাসনের
পর পশ্চিমা দেশগুলো
রাশিয়ার ওপর একের
পর এক নিষেধাজ্ঞা
দিয়েছে। এতদিন এসব
নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে
ছিল দেশটির হীরা
বাণিজ্য। তবে এবার
মূল্যবান ধাতুটিও পশ্চিমা
লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হতে
যাচ্ছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন
ও জি৭ ভুক্ত
দেশগুলো নিজস্ব সীমান্ত
দিয়ে রুশ হীরা
প্রবেশের
ক্ষেত্রে
কড়া
নজরদারি
আরোপ
করবে
বলে
জানা
গেছে।
খবর
আরটি।
বেলজিয়ামের এন্টওয়ার্প বিশ্বের
শীর্ষ হীরা বাণিজ্য
কেন্দ্র। অঞ্চলটি রুশ
হীরার সবচেয়ে বড়
ক্রেতা। বেলজিয়ামসহ প্রধান
ক্রেতা দেশগুলোয় বাধার
কারণেই এখনো ধাতুটির
ওপর নিষেধাজ্ঞা আসেনি।
ব্রাসেলস প্রতিবারই ইউরোপীয়
ইউনিয়নের নিষেধাজ্ঞার
পরিকল্পনায় বাধা দিয়েছে।
এ ধরনের পদক্ষেপ
হাজারো মানুষকে বেকারত্বের
দিকে
ঠেকে
দিতে
পারে
বলে
সতর্ক
করেছেন
তিনি।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়,
বিশ্বের
৮৫
শতাংশ
অমসৃণ
হীরাই
এন্টওয়ার্প
হয়ে
ব্যবহারকারীদের
হাতে
পৌঁছায়।
সেখানকার
১০
হাজারের
বেশি
মানুষের
জীবিকা
ধাতুটির
বাণিজ্যের
ওপর
নির্ভরশীল।
বেলজিয়ামের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ মনে করছে, মূল্যবান ধাতুটির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা একেবারেই অর্থহীন। কারণ নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়লে রাশিয়া রুট বদলে চীন ও ভারতসহ বিকল্প বাজারে এটি রফতানি করবে। ফলে নিষেধাজ্ঞা কার্যত ব্যর্থই হবে।









