রেকর্ড দরপতনের পর ঘুরে দাঁড়িয়েছে সিসার বাজার। লন্ডন মেটাল এক্সচেঞ্জে (এলএমই) ব্যবহারিক ধাতুটির দাম বাড়তে শুরু করেছে। ১০ ফেব্রুয়ারি যেখানে প্রতি টন সিসা ১ হাজার ৮১০ ডলারের নিচে বিক্রি হয়েছিল, সেখানে বর্তমানে ব্যবহারিক ধাতুটির দাম টনপ্রতি ১ হাজার ৯০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। খবর মেটাল বুলেটিন।

এলএমই প্রাইস ইনডেক্স অনুযায়ী, ১৭ জানুয়ারি ভবিষ্যৎ সরবরাহ চুক্তিতে প্রতি টন সিসা ১ হাজার ৯৭৬ ডলারে বিক্রি হয়েছিল। ২৩ জানুয়ারি ব্যবহারিক ধাতুটির দাম টনপ্রতি ১ হাজার ৯৮৮ ডলার ৫০ সেন্টে ওঠে। গত এক মাসের মধ্যে এটাই সিসার সর্বোচ্চ দাম। এরপর সিসার দাম কমতে শুরু করে।

দরপতনের ধারাবাহিকতায় ২৯ জানুয়ারি ভবিষ্যৎ সরবরাহ চুক্তিতে প্রতি টন সিসার দাম ১ হাজার ৮৮৫ ডলারে নেমে আসে। পরদিন ব্যবহারিক ধাতুটির টনপ্রতি ১ হাজার ৮৩৫ ডলারে বিক্রি হয়। জানুয়ারিতে এটাই সিসার সর্বনিম্ন দাম।

১০ ফেব্রুয়ারি এলএমইতে সিসার দামে রেকর্ড পতন দেখা দেয়। ওইদিন ভবিষ্যৎ সরবরাহ চুক্তিতে প্রতি টন সিসা ১ হাজার ৮০৯ ডলার ৫০ সেন্টে বিক্রি হয়। চলতি বছর এটাই সিসার সর্বনিম্ন দামের রেকর্ড।

এরপর ব্যবহারিক ধাতুটির বাজার ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে। ১১ ফেব্রুয়ারি ভবিষ্যৎ সরবরাহ চুক্তিতে প্রতি টন সিসার দাম ওঠে ১ হাজার ৮১৯ ডলারে। ১৩ ফেব্রুয়ারি ব্যবহারিক ধাতুটির দাম আরো বেড়ে দাঁড়ায় টনপ্রতি ১ হাজার ৮৭৬ ডলারে। ১৭ ফেব্রুয়ারি এলএমইতে ভবিষ্যৎ সরবরাহ চুক্তিতে প্রতি টন সিসার দাম দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৯১০ ডলারে। এর মধ্য দিয়ে গত ২৮ জানুয়ারির পর ফের সিসার টন ১ হাজার ৯০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে।

খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, চীনসহ বিশ্বজুড়ে প্রাণঘাতী নভেল করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে সিসাসহ বেশির ভাগ ব্যবহারিক ধাতুর দরপতন দেখা দিয়েছিল। এখন নভেল করোনাভাইরাস নিয়ে আতঙ্ক কিছুটা প্রশমিত হওয়ায় ব্যবহারিক ধাতুর বাজারে সিসার দাম বাড়তে শুরু করেছে।