ভারতের
দক্ষিণাঞ্চলীয়
তামিলনাড়ু রাজ্যের পাহাড়ি
জেলা নীলগিরি।
চা উৎপাদন
ও বিপণনের
জন্য এ জেলার
বিশেষ পরিচিতি রয়েছে। দক্ষিণ
ভারতের জেলাগুলোর মধ্যে
নীলগিরিতে সবচেয়ে বেশি
চা উৎপাদন
হয়।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে
এ জেলায়
চা উৎপাদনে
নতুন রেকর্ড হয়েছে। আগের
বছরের একই সময়ের
তুলনায় পানীয় পণ্যটির
উৎপাদন সাড়ে ৩
শতাংশের বেশি বেড়ে
পৌনে নয় লাখ
কেজিতে পৌঁছে গেছে। যদিও
বিদায়ী বছরে নীলগিরিতে
চা উৎপাদনে
প্রায় সাড়ে ১৪
শতাংশ মন্দাভাব বজায়
ছিল। খবর
বিজনেস লাইন।
টি
বোর্ড অব ইন্ডিয়ার
তথ্য অনুযায়ী, চলতি
বছরের জানুয়ারিতে নীলগিরিতে
সব মিলিয়ে
৮ লাখ
৭০ হাজার
কেজি চা উৎপাদন
হয়েছে, যা আগের
বছরের একই সময়ের
তুলনায় ৩ দশমিক
৫৭ শতাংশ
বেশি। ২০১৯
সালের একই মাসে
নীলগিরিতে সব মিলিয়ে
৮ লাখ
৪০ হাজার
কেজি চা উৎপাদন
হয়েছিল। সে
হিসাবে এক বছরের
ব্যবধানে এ জেলায়
চা উৎপাদন
বেড়েছে ৩০ হাজার
কেজি।
শুধুু
আগের বছরের একই
সময়ের তুলনায় নয়,
বরং গত জানুয়ারিতে
নীলগিরিতে পাঁচ বছরের
গড়ের বেশি চা
উৎপাদন হয়েছে।
গত পাঁচ
বছরে জানুয়ারি মাসে
এ জেলায়
গড়ে ৭ লাখ
৮০ হাজার
কেজি চা উৎপাদন
হয়েছে। সে
হিসাবে চলতি বছর
জানুয়ারি মাসে নীলগিরিতে
পানীয় পণ্যটির উৎপাদন
পাঁচ বছরের গড়ের
তুলনায় ১১ দশমিক
৫৪ শতাংশ
বাড়তি ছিল।
স্থানীয়
বাগানিরা জানান, গত
বছর নীলগিরিতে নচা
উৎপাদনে মন্দাভাব বজায়
ছিল। তবে
পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত ও
প্রয়োজনীয় আর্দ্রতা বজায়
থাকায় চলতি বছরের
জানুয়ারিতে
চা উৎপাদন
খাত চাঙ্গা অবস্থায়
ফিরেছে। আবহাওয়া
অনুকূল থাকলে বছরজুড়ে
চাঙ্গা অবস্থা বজায়
থাকতে পারে নীলগিরির
চা উৎপাদন
খাতে।
এদিকে
টি বোর্ড
অব ইন্ডিয়া
জানিয়েছে, বিদায়ী বছরে
নীলগিরির বাগানগুলোয় সব
মিলিয়ে ১ কোটি
৩৫ লাখ
৮০ হাজার
কেজি চা উৎপাদন
হয়েছে, যা আগের
বছরের তুলনায় ১৪
দশমিক ৪৮ শতাংশ
কম।
২০১৮ সালে এ
জেলায় মোট ১
কোটি ৫৮ লাখ
৮০ হাজার
কেজি চা উৎপাদন
হয়েছিল। সে
হিসাবে এক বছরের
ব্যবধানে নীলগিরিতে পানীয়
পণ্যটির উৎপাদন কমেছে
২৩ লাখ
কেজি।
মাসভিত্তিক
হিসাব, গত বছরের
ডিসেম্বরে নীলগিরিতে ৯
লাখ ৬০ হাজার
কেজি চা উৎপাদন
হয়েছিল। ২০১৮
সালের একই সময়ে
এ জেলায়
পানীয় পণ্যটির উৎপাদনের
পরিমাণ ছিল ২০
লাখ ১০ হাজার
কেজি। মূলত
প্রয়োজনের তুলনায় কম
তাপমাত্রা ও বৃষ্টিহীনতার
কারণে গত বছর
নীলগিরিতে চা উৎপাদনে
মন্দা দেখা গেছে।









