কম আয়ের মাধ্যমে বছর শুরু হয়েছে কনোড় টি ট্রেড অ্যাসোসিয়েশন (সিটিটিএ) আয়োজিত চায়ের নিলামগুলোর।
পানীয় পণ্যটির দামে বর্তমানে মন্দা ভাব বজায় রয়েছে, তা সত্ত্বেও বিক্রি বাড়ছে না পণ্যটির, যা নিলামগুলোর আয় হ্রাসের প্রধান কারণ বলে মনে করছেন খাতসংশ্লিষ্টরা।
এতে অঞ্চলটির চায়ের উৎপাদনকারী ও ব্যবসায়ীরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন।
খবর বিজনেস লাইন।
দক্ষিণ ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের পাহাড়ি জেলা কনোড় চা উৎপাদন ও বিপণনের জন্য পরিচিত।
সিটিটিএর তথ্য অনুযায়ী, গত জানুয়ারিতে কনোড়ে মোট চারটি নিলাম অনুষ্ঠিত হয়েছে।
নিলামগুলোয় বিক্রয়ফেরত চায়ের পরিমাণ বাড়ছেই।
ফলে বিক্রি বাড়ানোর উদ্দেশ্যে পানীয় পণ্যটির দাম কেজিপ্রতি ১৬ দশমিক ৩২ রুপি কমিয়েছেন উৎপাদনকারীরা।
এর
পরও বিক্রি বাড়ছে না পণ্যটির।
২০১৯ সালের জানুয়ারির তুলনায় এ সময়ে ১১ লাখ ৬০ হাজার কেজি চা কম বিক্রি হয়েছে।
জানুয়ারিতে কনোড়ে অনুষ্ঠিত চারটি নিলামে প্রতি কেজি চায়ের গড় দাম দাঁড়িয়েছে ৮৩ দশমিক ৬১ রুপি।
আগের বছরের একই সময়ে পানীয়পণ্যটির কেজিপ্রতি গড় দাম ছিল ৯৯ দশমিক ৯৩ রুপি।
সে
হিসাবে বিদায়ী বছরের তুলনায় এবার প্রতি কেজি চায়ের গড় মূল্য ১৬ দশমিক ৩২ রুপি কমেছে।
দামের সঙ্গে সঙ্গে কনোড়ের চা নিলামগুলোয় এবার পণ্যটির বিক্রিও কমেছে।
জানুয়ারিতে সিটিটি আয়োজিত চারটি নিলামে সব মিলিয়ে ৫৪ লাখ ১০ হাজার কেজি চা বিক্রি হয়েছে।
২০১৯ সালের একই সময়ে বিক্রীত চায়ের পরিমাণ ছিল ৬৫ লাখ ৭০ হাজার কেজি।
অর্থাৎ আগের বছরের তুলনায় এবার ১১ লাখ ৬০ হাজার কেজি চা কম বিক্রি হয়েছে।
একদিকে নিম্নমুখী বাজার, অন্যদিকে নিলাম ফেরত চায়ের পরিমাণ বৃদ্ধি—সব মিলিয়ে জানুয়ারিতে কনোড়ে অনুষ্ঠিত চায়ের নিলামগুলো থেকে আয় কমে ৪ কোটি ৫২ লাখ রুপিতে নেমেছে।
আগের বছর আয় হয়েছিল ৬ কোটি ৫৭ লাখ রুপি।
সে
হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে নিলামগুলোর আয় কমেছে ২ কোটি ৫ লাখ রুপি বা ৩১ দশমিক ২০ সেন্ট।









