টানা তিন বছর ধরে রেকর্ড গম উৎপাদন করেছে অস্ট্রেলিয়া। তবে এ বছর বৈরী আবহাওয়ার কারণে শস্যটির উৎপাদন ঝুঁকির মুখে পড়েছে। এল নিনো পরিস্থিতির কারণে শুষ্ক আবহাওয়া বিরাজ করছে দেশটির কৃষিপ্রধান অঞ্চলগুলোয়। ফলে বছরের দ্বিতীয়ার্ধে দেশটির গম ‍উৎপাদন আশঙ্কাজনক হারে কমবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। খবর বিজনেস রেকর্ডার। 

অস্ট্রেলিয়া বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ গম রফতানিকারক। ২০২২-২৩ বিপণন মৌসুমে দেশটিতে প্রায় ২ কোটি ৫০ লাখ থেকে ২ কোটি ৬০ লাখ টন গম উৎপাদন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। 

খাদ্যশস্যের বাজার পরামর্শক প্রতিষ্ঠান গ্রেইনক্রপ লিমিটেড জানায়, বর্তমানে পর্যাপ্ত বৃষ্টি হচ্ছে। তবে বছরের শেষ ছয় মাসে এল নিনো প্রভাব তীব্র হতে পারে। 

এদিকে দেশটিতে উৎপাদন কমার আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক বাজারে শস্যটির দাম বাড়ছে। তার ওপর কৃষ্ণ সাগরীয় খাদ্যশস্য রফতানি চুক্তি সম্প্রসারণ নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়ায় বাজারে অস্থিরতার আভাস দিচ্ছেন বিশ্লেষকরা।

বুধবার শিকাগো বোর্ড অব ট্রেডে (সিবিওটি) গমের ভবিষ্যৎ সরবরাহ মূল্য দশমিক ৩ শতাংশ বেড়েছে। প্রতি বুশেলের মূল্য স্থির হয়েছে ৭ ডলার ১২ সেন্টে।