তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) বা
রান্নার গ্যাস আমদানি বাড়িয়েছে চীন। বিদায়ী বছরে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে দেশটি সব
মিলিয়ে ২ কোটি ৬ লাখ ১০ হাজার টন এলপিজি আমদানি করেছে, আগের
বছরের তুলনায় যা ৮ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি। চীনের জেনারেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব
কাস্টমস সম্প্রতি এ তথ্য জানিয়েছে। খবর এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল প্লাটস।
এ সময়ে প্রাকৃতিক গ্যাসের পরিশোধন ও
প্রক্রিয়াকরণের অন্যতম উপাদান প্রোপেন ও বিউটেন গ্যাসের আমদানি বাড়িয়েছে দেশটি। এর
মধ্যে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে প্রোপেনের আমদানি। গত বছর আন্তর্জাতিক বাজার থেকে সব
মিলিয়ে ১ কোটি ৪৯ লাখ ১০ হাজার টন প্রোপেন আমদানি করেছে চীনের ব্যবসায়ীরা, যা
আগের বছরের তুলনায় ১০ দশমিক ৮ শতাংশ বা ১৪ লাখ ৫০ হাজার টন বেশি। একই সময়ে দেশটির
বিউটেন আমদানি ৩ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ৫৫ লাখ ৬০ হাজার টনে উন্নীত হয়েছে।
বিদায়ী বছরে চীনের বাজারে এলপিজি
সরবরাহকারী দেশগুলোর মধ্যে শীর্ষে রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি থেকে মোট ৪৩
লাখ ৭০ হাজার টন এলপিজি আমদানি করেছেন চীনের ব্যবসায়ীরা। জ্বালানি পণ্যটির সরবরাহে
এর পরই রয়েছে কাতার ও কুয়েত। কাতার থেকে গত বছর মোট ৩৪ লাখ ৭০ হাজার টন এলপিজি
আমদানি করেছে চীন। আর কুয়েত থেকে পণ্যটির আমদানি দাঁড়িয়েছে ২২ লাখ ৬০ হাজার টন।
চীনের জেনারেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব
কাস্টমসের তথ্য অনুযায়ী, বিদায়ী বছরের ডিসেম্বরে দেশটির এলপিজি আমদানিতে বড় ধরনের উল্লম্ফন দেখা
দেয়, যা
সামগ্রিক আমদানি বাড়াতে প্রভাবক হিসেবে কাজ করেছে। ওই সময় আন্তর্জাতিক বাজার থেকে
দেশটি মোট ১৮ লাখ ২০ হাজার টন এলপিজি আমদানি করেছিল, যা আগের মাসের তুলনায় ৪ দশমিক ৫ শতাংশ
বেশি এবং ২০১৮ সালের একই সময়ের তুলনায় ২৬ শতাংশ বেশি। প্রোপেন আমদানি হয়েছিল ১৩
লাখ ৩০ হাজার টন ও বিউটেন আমদানি হয়েছিল ৪ লাখ ৬১ হাজার ৩৩১ টন। উভয় ধরনের
জ্বালানি আমদানি বেড়েছে যথাক্রমে ২৯ দশমিক ২ শতাংশ ও ১৪ দশমিক ৪৬ শতাংশ। বছরের
অন্য সময়ের তুলনায় ডিসেম্বরে চীনে এলপিজি চাহিদা তুলনামূলক বেশি থাকে।









