টানা দুই সপ্তাহ পাম অয়েলের বাজারে মন্দা ভাব বজায় রয়েছে। এ ধারাবাহিকতায় সর্বশেষ সপ্তাহে মালয়েশিয়ার বাজারে পণ্যটির সাপ্তাহিক গড় দাম আগের সপ্তাহের তুলনায় প্রায় দেড় শতাংশ বেড়েছে। মূলত নভেল করোনাভাইরাসের কারণে পাম অয়েলের দ্বিতীয় শীর্ষ আমদানিকারক চীনের অর্থনৈতিক শ্লথতা মালয়েশিয়ার বাজারে পণ্যটির দাম কমিয়েছে। খবর বিজনেস রেকর্ডার।

বুরসা মালয়েশিয়া ডেরিভেটিভস এক্সচেঞ্জে সর্বশেষ সপ্তাহে পাম অয়েলের গড় দাম আগের সপ্তাহের তুলনায় ১ দশমিক ৪ শতাংশ কমেছে বলে জানিয়েছে মালয়েশিয়ান পাম অয়েল বোর্ড। তবে সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস কেটেছে চাঙ্গা ভাবের মধ্য দিয়ে। এদিন মালয়েশিয়ার বাজারে ভবিষ্যৎ সরবরাহ চুক্তিতে প্রতি টন পাম অয়েলের দাম দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৬২২ রিঙ্গিত (স্থানীয় মুদ্রা) বা ৬২৬ ডলার ২৫ সেন্টে, যা আগের দিনের তুলনায় ১ দশমিক ২৩ শতাংশ বেশি।

স্থানীয় ট্রেডাররা জানান, ভারতের পর চীন মালয়েশীয় পাম অয়েলের সবচেয়ে বড় আমদানিকারক। চলতি বছরের শুরু থেকে প্রাণঘাতী নভেল করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় চীনের অর্থনীতি অনেকটাই শ্লথ হয়ে এসেছে। স্থবির হয়ে পড়েছে বাণিজ্যিক কার্যক্রম। এ পরিস্থিতিতে পাম অয়েলের আমদানি কমিয়ে দিয়েছেন চীনা আমদানিকারকরা।

আগামী দিনগুলোয় ভাইরাস আতঙ্ক দূর হয়ে ব্যবসা-বাণিজ্যে গতি ফেরার সম্ভাবনা ক্ষীণ। ফলে চীনের বাজারে মালয়েশীয় পাম অয়েলের চাহিদা দীর্ঘমেয়াদে কমতে পারে। এ আশঙ্কা মালয়েশিয়ার বাজারে পণ্যটির দামে লাগাম টেনেছে।