চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) ৩২টি উড়োজাহাজ সরবরাহ করেছে এমব্রেয়ার। এর মধ্যে ১১টি বাণিজ্যিক ও ২১টি ব্যবসায়িক বা ব্যক্তিগত জেট। ধীর প্রথম প্রান্তিকের পর জেট সরবরাহে গতি বেড়েছে ব্রাজিলের উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটির। খবর রয়টার্স।
একটি সিকিউরিটিজ ফাইলিংয়ে এমব্রেয়ার জানিয়েছে, জুনের শেষ পর্যন্ত সরবরাহ না হওয়া (ব্যাকলগ) উড়োজাহাজের ক্রয়াদেশ ১ হাজার ৭৮০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। গত বছরের একই সময়ের চেয়ে যা ১২ শতাংশ বেশি। অর্থের হিসাবে এটি ২০১৮ সালের পর সর্বোচ্চ। এ খবরের পর সাও পাওলোতে এমব্রেয়ারের শেয়ারদরে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা দেয়।
ব্রাজিলের আর্থিক পরিষেবা প্রতিষ্ঠান ইটাও বিবিএর বিশ্লেষক বলেন, এমব্রেয়ারের ফলাফল মোটামুটিভাবে প্রত্যাশার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ। পাশাপাশি চলতি বছর উড়োজাহাজ সরবরাহে লক্ষ্যমাত্রার কাছাকাছি রয়েছে সংস্থাটি। ২০২২ সালে প্রতিষ্ঠানটি ১০০-১১০টি ব্যবসায়িক এবং ৬০-৭০টি বাণিজ্যিক উড়োজাহাজ সরবরাহ করতে চায়।
বর্তমানের ব্যাকলগ হিসেবে গত সপ্তাহে ফার্নবরো এয়ারশো থেকে ২০টি ই১৯৫-ই২ উড়োজাহাজের ক্রয়াদেশ অন্তর্ভুক্ত ছিল না। এ ক্রয়াদেশের পরিমাণ ১৫৬ কোটি ডলার। যদিও এ হিসেবে গত সপ্তাহে আলাস্কা এয়ার গ্রুপ থেকে পাওয়া আটটি নতুন ই১৭৫ উড়োজাহাজের ক্রয়াদেশ অন্তর্ভুক্ত ছিল।
এ পরিসংখ্যান তুলে ধরে এপ্রিল-জুন সময়ে এমব্রেয়ারের সরবরাহ প্রথম প্রান্তিকের চেয়ে বেড়েছে। যদিও এ সংখ্যা গত বছরের একই সময়ের ৩৪টি থেকে পিছিয়ে রয়েছে।
মে মাসে সংস্থাটি প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা অ্যান্তোনিও কার্লোস গার্সিয়া বলেন, এমব্রেয়ার এরই মধ্যে চলতি বছরের আয়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণের জন্য যথেষ্ট ক্রয়াদেশ জিতেছে। যদিও সরবরাহ ব্যবস্থায় ব্যাঘাত উড়োজাহাজ উৎপাদনে বড় প্রতিবন্ধকতা হিসেবে রয়ে গিয়েছে।









