পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি বিচ হ্যাচারি লিমিটেডের বার্ষিক সাধারণ (এজিএম) সভা ১৮ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। এর পরিবর্তে সভাটি আগামী ২৮ মার্চ বেলা সাড়ে ১১টায় অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া এজিএমের অন্যান্য তথ্য অপরিবর্তিত থাকবে বলে জানিয়েছে কোম্পানিটি। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
চলতি ২০২৩-২৪ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৩১ পয়সা। গত ৩০ সেপ্টেম্বর শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ২ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য ২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে ইপিএস হয়েছে ৯৩ পয়সা, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ২২ পয়সা। গত ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১০ টাকা ৫৮ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২১-২০২২ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে বাকি বিনিয়োগকারীদের জন্য ১ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের সুপারিশ করে বিচ হ্যাচারির পরিচালনা পর্ষদ।
২০২১-২২ হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২২ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ২২ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৯ টাকা ৭২ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ৯ টাকা ৫৭ পয়সা।
৩০ জুন সমাপ্ত ২০২০-২১ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে বাকি বিনিয়োগকারীদের জন্য ১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের সুপারিশ করেছিল বিচ হ্যাচারির পরিচালনা পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ২২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩৪ পয়সা। ৩০ জুন ২০২১ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৯ টাকা ৫৭ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ৯ টাকা ৮০ পয়সা।
৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৯-২০ হিসাব বছরে কোনো লভ্যাংশ দেয়নি বিচ হ্যাচারি। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ৩৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরের যা ছিল ৩৬ পয়সা। কোম্পানিটি ২০১৩-১৪ হিসাব বছরের জন্য ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছিল।








