গ্রাহক পর্যায়ে চাহিদা কমার পাশাপাশি ব্যবসায়ী পর্যায়ে ক্রয় কমে যাওয়ায় মধ্য ইউরোপে ইস্পাতের মূল্য প্রতিনিয়ত বাড়ছে। ফলে স্থানীয় বাজারে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। খবর এমইপিএস ইন্টারন্যাশনাল।

গত বছর ইউরোপের তুলনায় পোলিশ ও চেক উৎপাদনের পিএমআই উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। ২০২৩ সালের শুরুর দিকে চাঙ্গাভাব বিরাজ করলেও এখনো নিম্নমুখী ইস্পাতের বাজার। উচ্চমূল্যস্ফীতি ও ক্রমবর্ধমান উৎপাদন খরচের কারণে বিশ্বের অনেক ব্যবসা কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এর মধ্যে চেক রিপাবলিক অন্যতম। দেশটির অনেক কোম্পানি নিজেদের দেউলিয়া ঘোষণা করেছে এবং আরো প্রতিষ্ঠান এ পথে রয়েছে। জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের অত্যধিক মূল্যের পাশাপাশি ইউক্রেনে চলমান যুদ্ধ মধ্য ইউরোপের অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোয় ইস্পাতের আমদানি কমে আসায় তা সরবরাহ চেইনকেও প্রভাবিত করেছে। বাজারের দুর্বল অবস্থা থাকলেও বর্তমানে ইস্পাতের দাম বৃদ্ধির প্রধান প্রভাবক এটি। প্রতিবেশী দেশগুলোর অর্থনৈতিক অবস্থা তুলনামূলক ভালো হওয়ায় ইস্পাতের চাহিদা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। যে কারণে পোল্যান্ড ও চেক রিপাবলিকের বাজারে যে ইস্পাত পণ্য বিক্রি হচ্ছে, সেগুলোর দাম বাড়ছে।