ইফাদ অটোজ লিমিটেডের সার্ভিল্যান্স রেটিং দীর্ঘমেয়াদে ‘‌ডাবল এ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘‌এসটি-টু’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ৩১ অক্টোবর ২০২৩ পর্যন্ত ব্যাংক ঋণের অবস্থান ও রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য পরিমাণগত ও গুণগত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (সিআরএবি)। 

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৩-২৪ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ৭৮ পয়সা। গত ৩০ সেপ্টেম্বর শেষে কোম্পানিটির নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩৭ টাকা ৯২ পয়সায়। 

সর্বশেষ ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে মুনাফা থেকে লোকসানে পড়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের ঘোষণা দিয়েছে। প্রতিবেদন অনুসারে, ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৫৮ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ১ টাকা ৫৬ পয়সা। গত ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটি এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৭ টাকা ৯১ পয়সায়, গত বছরের একই সময় যা ছিল ৩৯ টাকা ৩৮ পয়সা। 

লোকসান হওয়ার ব্যাপারে কোম্পানিটি জানিয়েছে, গত অর্থবছরে বাণিজ্যিক গাড়ির চাহিদা কমে যাওয়ায় বিক্রি ৪ দশমিক ৭৬ শতাংশ কমেছে। এছাড়া বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হারের ওঠানামা ও মূল্যস্ফীতিজনিত কারণে মুনাফা কমেছে। 

৩০ জুন সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরের জন্য বিনিয়োগকারীদের মোট ১০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে ইফাদ অটোজ। এর মধ্যে ৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। 

সমাপ্ত ২০২১ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল ইফাদ অটোজ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ১৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৯১ পয়সা। ২০১৯-২০ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে অন্য বিনিয়োগকারীদের জন্য ৯ শতাংশ নগদ ও সব শেয়ারহোল্ডারদের ২ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছিল ইফাদ অটোজ।

২০১৫ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ইফাদ অটোজের অনুমোদিত মূলধন ৩০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ২৬৫ কোটি ৫৯ লাখ ৮০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৬৮১ কোটি ২৬ লাখ টাকা।