সর্বশেষ ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা দেয় পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড। এ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করায় কোম্পানিটিকে লেনদেনের জন্য ‘এ’র পরিবর্তে ‘বি’ ক্যাটাগরিতে পাঠানো হয়েছে। ২৪ ডিসেম্বর ‘বি’ ক্যাটাগরিতে লেনদেন শুরু করবে জ্বালানি খাতের কোম্পানিটি। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে গতকাল এ তথ্য জানা গেছে।

অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৩-২৪ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) কোম্পানির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৩৩ পয়সা। গত ৩০ সেপ্টেম্বর শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৭২ টাকা ১ পয়সায়। 

সর্বশেষ ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ৬৭ পয়সা। আগের হিসাব বছরে ইপিএস ছিল ৩ টাকা ২১ পয়সা। গত ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৭১ টাকা ৭৫ পয়সায়। 

২০২২ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল তিতাস গ্যাস। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ২১ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৩ টাকা ৫০ পয়সা। গত বছরের ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৭৪ টাকা ১৬ পয়সায়, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৭২ টাকা ৫৭ পয়সা।

২০০৮ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত তিতাস গ্যাসের অনুমোদিত মূলধন ২ হাজার কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৯৮৯ কোটি ২২ লাখ ২০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৫ হাজার ৮২৫ কোটি ২১ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৯৮ কোটি ৯২ লাখ ২১ হাজার ৮৩১। এর মধ্যে সরকারের হাতে রয়েছে ৭৫ শতাংশ শেয়ার। বাকি শেয়ারের মধ্যে ১৫ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক, দশমিক ১৭ শতাংশ বিদেশী ও ৯ দশমিক ৭৮ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে। গত এক বছরে তিতাস গ্যাসের শেয়ারের সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ দর ছিল ৪০ টাকা ৯০ পয়সা।