আগামী রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখতে ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন। তিনি বলেছেন, ‘রমজানকে সামনে রেখে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অধিক মুনাফা লাভের আশায় নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বাড়িয়ে দেন। অধিক মুনাফা ধর্মীয় বা নৈতিকভাবে সমর্থনযোগ্য নয়।’
গতকাল ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) নবনির্বাচিত সভাপতি আশরাফ আহমেদের নেতৃত্বে পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা শিল্প ভবনে মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে এসব কথা বলেন তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা চেম্বারের ঊর্ধ্বতন সহসভাপতি মালিক তালহা ইসমাইল বারী ও সহসভাপতি মো. জুনায়েদ ইবনে আলীসহ পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা, পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মুনিম হাসান, ন্যাশনাল প্রডাক্টিভিটি অর্গানাইজেশনের (এনপিও) মহাপরিচালক মুহম্মদ মেসবাহুল আলম ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মু. আনোয়ারুল আলম।
সাক্ষাৎকালে ঢাকা চেম্বারের সভাপতি আশরাফ আহমেদ জানান, প্রতি বছর বাংলাদেশ পণ্য উৎপাদনে ৬৮ দশমিক ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করে থাকে। এ অবস্থায় শিল্প খাতে আমদানিনির্ভরতা কমাতে তৈরি পোশাক, চামড়া, হালকা প্রকৌশলসহ সম্ভাবনাময় অন্যান্য খাতের কাঁচামাল উৎপাদনে নীতিসহায়তা ও সক্ষমতা বাড়ানো প্রয়োজন।
তিনি বলেন, জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ৩৭ দশমিক ৫৬ শতাংশ থেকে ৪০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যে সরকার-বেসরকারি খাতের সমন্বয় আরো বাড়ানো প্রয়োজন। সেই সঙ্গে ক্লাস্টারভিত্তিক শিল্প খাতের উন্নয়ন ও রফতানি খাতের বিকাশে ‘সেন্ট্রাল বন্ডেড ওয়্যারহাউজ’ স্থাপন করতে হবে।









