জাপানের অর্ধেকের বেশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান মনে করে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকারের আরো বেশি পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন। বিশেষ করে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে জ্বালানি ও শিল্পের কাঁচামালের উচ্চমূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকার নির্দিষ্ট পদক্ষেপ নিতে পারে। সম্প্রতি এক জরিপে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর এ মনোভাবের কথা উঠে এসেছে।

তেইকোকু ডাটাব্যাংকের ওই জরিপে প্রশ্ন করা হয়েছিল, বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকারের কাছ থেকে কী ধরনের পদক্ষেপ প্রত্যাশা করছে প্রতিষ্ঠানগুলো। জবাবে ৫০ দশমিক ৮ শতাংশ প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, তারা আর্থিক সহায়তা, গ্যাসোলিনের কর হ্রাস এবং কাঁচামালের দামে প্রণোদনা চায়।

কিয়োদো এজেন্সির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশটির প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা অবশ্য এরই মধ্যে পরিবার ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে ক্রমবর্ধমান ইউটিলিটি বিলের খরচ মেটাতে সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

জরিপে অংশ নেয়া ৪২ দশমিক ৪ শতাংশ প্রতিষ্ঠান নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সুবিধা নিশ্চিতের ব্যবস্থা করার কথা বলেছে। এছাড়া ৪৩ দশমিক ১ শতাংশ প্রতিষ্ঠান ভোক্তা পর্যায়ের ব্যয় বাড়ানোর বিষয়ে সরকারকে পদক্ষেপ নিতে বলেছে।

অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় দেশটির বেশকিছু খাতকে টিকে থাকতে সংগ্রাম করতে হচ্ছে। এ খাতগুলোর পাশে যথাযথ পদক্ষেপ নিয়ে সরকারকে দাঁড়ানোর আহ্বান জানাচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। ডলারের বিপরীতে ইয়েনের দাম পড়তে শুরু করেছে। এ অবস্থায় ২৮ দশমিক ২ শতাংশ প্রতিষ্ঠান মনে করে, বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তন করে সরকারের উচিত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা।