জ্বালানি খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানি এমজেএল বাংলাদেশ পিএলসির ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘ট্রিপল এ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-ওয়ান’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ২০২৪ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও রেটিং প্রকাশের দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য পরিমাণগত ও গুণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (সিআরআইএসএল)।
চলতি ২০২৩-২৪ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) এমজেএল বাংলাদেশের শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৭০ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে যা ছিল ২ টাকা ১১ পয়সা। গত ৩০ সেপ্টেম্বর শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৪৭ টাকা ১ পয়সা।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরের এমজেএল বাংলাদেশ বিনিয়োগকারীদের জন্য ৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ৮ টাকা ৭৩ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৬ টাকা ৩৬ পয়সা। এ বছরের ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির সমন্বিত এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৪৪ টাকা ২৭ পয়সায়।
৩০ জুন সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরের জন্য বিনিয়োগকারীদের ৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে এমজেএল বাংলাদেশ।
আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ৬ টাকা ৩৬ পয়সা, এর আগের হিসাব বছরে ছিল ৭ টাকা ৫৩ পয়সা। গত বছরের ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির সমন্বিত এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৪০ টাকা ৫৫ পয়সায়, যা এর আগের বছর শেষে ছিল ৩৯ টাকা ৬৯ পয়সায়।
এর আগের ২০২০-২১ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৫৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে এমজেএলবিডি। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৭ টাকা ৫৩ পয়সা। আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৫ টাকা ৫২ পয়সা। ২০১৯-২০ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৪৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি। এর আগে ২০১৮-১৯ হিসাব বছরের জন্যও ৪৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ পায় শেয়ারহোল্ডাররা। এছাড়া ২০১৭-১৮ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৪৫ শতাংশ নগদের পাশাপাশি ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি।
২০১১ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এমজেএল বাংলাদেশের অনুমোদিত মূলধন ১ হাজার কোটি টাকা। পরিশোধিত মূলধন ৩১৬ কোটি ৭৫ লাখ ২০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৮৮৩ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। কোম্পানির মোট শেয়ার সংখ্যা ৩১ কোটি ৬৭ লাখ ৫২ হাজার ২৭টি। এর ৭১ দশমিক ৫২ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ২২ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৬ দশমিক ৩৮ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।
ডিএসইতে গত বৃহস্পতিবার এমজেএল বাংলাদেশের শেয়ারের সমাপনী দর ছিল ৮৬ টাকা ৭০ পয়সা। গত এক বছরে শেয়ারটির দর ৮৬ টাকা ৭০ পয়সা থেকে ৯৩ টাকা ৩০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করেছে।









