চলতি বছর বিশ্বের প্রধান প্রধান চিনি উৎপাদক দেশগুলোয় ভোগ্যপণ্যটির উৎপাদন কমার আশঙ্কা রয়েছে। বিপরীতে চীনসহ শীর্ষ ভোক্তা দেশগুলোয় এটির চাহিদা লক্ষণীয় মাত্রায় বাড়তে পারে। ফলে বছরজুড়ে অপরিশোধিত চিনির বৈশ্বিক বাজারদর ২০২১ সালের তুলনায় ২ শতাংশ বাড়তে পারে। সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে এমনটা জানিয়েছে ক্রেডিট রেটিং প্রতিষ্ঠান ফিচ সলিউশন।
প্রতিষ্ঠানটির গবেষণা বিভাগ জানায়, চলতি বছর প্রতি পাউন্ড অপরিশোধিত চিনির দাম ১৮ দশমিক ৬ সেন্ট থেকে বেড়ে ১৯ সেন্টে উন্নীত হতে পারে, যা ইতিহাসের সর্বোচ্চ। পণ্যটির এমন মূল্যবৃদ্ধি বিশ্বজুড়ে ক্রমবর্ধমান খাদ্য মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের প্রচেষ্টাকে ব্যাহত করতে পারে।
এদিকে চলতি বছর চিনির বৈশ্বিক সরবরাহও অনিশ্চয়তার মুখে পড়তে পারে বলে জানিয়েছে ফিচ। কীটনাশক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা ও বৈরী আবহাওয়ার প্রভাবে ইউরোপীয় ইউনিয়নে উৎপাদন কমতে পারে। ভারতের মিলগুলো চিনির পরিবর্তে আখ থেকে ইথানল উৎপাদন বাড়াচ্ছে। ফলে দেশটিতেও উৎপাদন কমতে পারে।
ইন্ডিয়ান সুগার মিলস অ্যাসোসিয়েশন গত মাসে জানিয়েছিল, ২০২২-২৩ বিপণন মৌসুমে দেশটিতে ৩ কোটি ৪০ থেকে ৩ কোটি ৪৩ লাখ টন চিনি উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। গত মৌসুমে উৎপাদন হয়েছিল ৩ কোটি ৫৮ লাখ টন। সে হিসেবে উৎপাদন প্রায় ১৫ লাখ টন কমবে।
ফিচ সলিউশন জানায়, চীন জিরো কভিড নীতি থেকে সরে এসেছে। দেশটির অর্থনীতি ধীরে ধীরে গতিশীল হয়ে উঠছে। ফলে দেশটিতে চিনির চাহিদা ব্যাপক বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।









