চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) ভারতের ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্যের রফতানি ২ হাজার ৮৯৬ কোটি ডলারে উন্নীত হয়েছে। অর্থের হিসাবে রফতানির এ পরিমাণ আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১১ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি। ভারতের ইঞ্জিনিয়ারিং এক্সপোর্ট প্রমোশন কাউন্সিলের (ইইপিসি) তথ্য বলছে, যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি ও মেক্সিকো থেকে তুমুল চাহিদার মুখে দেশটির ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্যের রফতানি ঊর্ধ্বমুখী ছিল।

দ্য প্রিন্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে চীনে ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্যের চাহিদা ব্যাপকভাবে নিম্নমুখী হয়। জুনে চীনে ভারতের ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্যের রফতানি মূল্য গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫৫ শতাংশ কমে ২৩ কোটি ২৭ লাখ ৮০ হাজার ডলারে দাঁড়িয়েছে। এর জন্য চীনের প্রধান প্রধান শহরের কভিডজনিত লকডাউন পরিস্থিতিকে দায়ী করা হচ্ছে। এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে চীনে ভারতের ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্যের রফতানি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫১ দশমিক ৯ শতাংশ কমে ৬৬ কোটি ২৯ লাখ ডলারে স্থির হয়েছে।

গত মাসে ভারতের ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্যের মোট রফতানি মে মাসের তুলনায় ৫২ দশমিক ২ শতাংশ ও এপ্রিলের তুলনায় ৪৮ দশমিক ২ শতাংশ কমেছে।

এ বিষয়ে ভারতের ইইপিসির চেয়ারম্যান মহেশ দেশাই এক বিবৃতিতে জানান, ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্যের রফতানির অন্যতম প্রধান গন্তব্য চীন। আমাদের বিশ্লেষকদের মত, নভেল করোনাভাইরাস সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কায় দেশটির লকডাউন পরিস্থিতিতে দেশটিতে চাহিদা নিম্নমুখী ছিল। পাশাপাশি ভূরাজনৈতিক সংকটের জের ধরে বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থাও ব্যাহত হয়েছে। উপরন্তু এমন সময় নির্দিষ্ট কয়েকটি ইস্পাত পণ্যের ওপর রফতানি শুল্ক ধার্য হওয়ার ফলে বিপাকে পড়েছেন ভারতীয় রফতানিকারকরা।